মানুষের জীবনে মৃত্যু অমোঘ নিয়তি। সব মানুষই শান্তি ও স্বাভাবিক মৃত্যু কামনা করে। মৃত্যু নানা কারণে হতে পারে। কিন্তু অনেকের মৃত্যুর পেছনে থাকে স্বার্থ, ক্ষমতা, প্রতিহিংসা কিংবা রহস্যজনক কোনো ঘটনা।
প্রমোদতরী শব্দটি উচ্চারিত হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালাকৃতির ক্রুজ বা জাহাজ। সমুদ্রে ভেসে থাকা সত্ত্বেও যেখানে রয়েছে সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। কাটানো যায় অবকাশের সেরা সময়গুলো। দূর থেকে দেখলে মনে
বিশ্বের অনেক ধনী ব্যক্তি নিজেদের ব্যক্তিগত দ্বীপ কিনেছেন। এর মধ্যে রয়েছে হলিউড, করপোরেট জগতের সঙ্গে যুক্ত সেলিব্রেটিরা। ১৯৬০ সাল থেকে গোটা বিশ্বেই এই প্রবণতা দেখা গেছে। বিশ্বের বহু সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব
সময়ের পরিক্রমায় রাষ্ট্র পরিচালনায় গণতন্ত্রের চর্চা বাড়লেও এখনো বিশ্বের নানা প্রান্তে রাজতন্ত্র রয়ে গেছে। বিশ্বের কয়েকটি ধনী ও ক্ষমতাধর দেশে রাজতন্ত্রের চর্চাও রয়েছে। এর বাইরে আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলেও শত শত
পৃথিবীর বুকে ১৮২০ সালে প্রথম মানব সভ্যতা মহাদেশটির অস্তিত্ব আবিষ্কার করে। তবে বরফের এ রাজ্যটি মানুষের বসবাসের সম্পূর্ণ অযোগ্য। প্রবল শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম এমন উদ্ভিদ ও প্রাণীরাই কেবল
অনেকে মাঝসমুদ্রে অতি প্রাকৃত ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। সমুদ্রপথে অদৃশ্য হওয়া জাহাজের রহস্যঘেরা কাহিনিও কম দেখা যায়নি। এমন কয়েকটি বিস্ময়কর নিখোঁজের কাহিনি আছে, যা মানবসভ্যতাকে কেবল অবাকই করেনি, করেছে কৌতূহলীও। অবিশ্বাস্য
ইউহুয়া হেই। এটি একাধিক হ্রদের সমাহার। তবে সবাই চেনে পাঁচ ফুলের হ্রদ হিসেবে। এটি রয়েছে চীনে। চীনের জিওজাইগন ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত এ হ্রদটি মানুষের মনকে মুগ্ধ করবে অস্বাভাবিক রঙের খেলায়।
পৃথিবীর আনাচেকানাচে এমন কিছু পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে; যেখানে মানুষের আনন্দে ঘুরে বেড়ানোর চেয়ে বিপদমুখী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এমন কিছু পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে রকমারি ডেস্কের আয়োজন… মাত্র তিন
আমাদের সবার জানা আছে, পৃথিবীর ৭১ শতাংশ জলে আচ্ছাদিত এবং মহাসাগরগুলো বিশ্বের প্রায় ৯৫ শতাংশ জল ধারণ করে আছে। সমগ্র বিশ্বের এই বিশাল সমুদ্রের মধ্যে হাজার হাজার ছোট, বড় ও
বিশ্বজুড়ে ভাসমান বাড়ি কিংবা স্থাপত্যশিল্পের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। কোথাও কোথাও তো আবার গড়ে উঠেছে ভাসমান নগরীও। এসব ভাসমান স্থাপত্য দেখতে ভাসমান বাড়ির চেয়ে চলতে ফিরতে পারা ভেলাই বেশি মনে হবে।