1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

প্রিয়জনকে ভুলতে বাস্তবসম্মত মনস্তাত্ত্বিক কৌশল

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৫ বার দেখা হয়েছে

 

লাইফ স্টাইল ডেস্ক

অনেক সময় আমাদের জীবনে এমন মানুষ বা ঘটনা আসে, যা আমরা ভুলতে চাইলেও মস্তিষ্ক থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয় না। মস্তিষ্ক স্মৃতি সংরক্ষণ করে রাখে, তবে স্মৃতির প্রভাব কমানো, মনোযোগ অন্যদিকে সরানো এবং আবেগের তীব্রতা হ্রাস করা সম্ভব। মনোবিজ্ঞানের আলোকে কিছু কার্যকর উপায় অনুসরণ করে প্রিয়জন বা কোনো ঘটনার স্মৃতি ধীরে ধীরে হ্রাস করা যায়।

প্রথম ধাপ হিসেবে, স্মৃতিচিহ্ন সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন। পুরনো ছবি, উপহার বা অন্যান্য স্মৃতিস্মরণীয় বস্তু যা পুরনো দিনের কথা মনে করায়, তা আলাদা করে রাখা উচিত। এর পাশাপাশি জার্নালিং বা লেখালেখির মাধ্যমে নিজের অনুভূতি এবং চিন্তাগুলো লিখে রাখা মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক। লিখে রাখার প্রক্রিয়ায় মনোভাব পর্যালোচনা করা যায় এবং ঘটনাটিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝা সম্ভব হয়।

দ্বিতীয় ধাপে নতুন কাজে মনোযোগ দেয়া গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কোনো শখ, সৃজনশীল কাজ বা শিখনের মাধ্যমে মনকে ব্যস্ত রাখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ছবি আঁকা, সঙ্গীত শেখা বা অন্য কোনো সৃজনশীল কার্যক্রমে নিজেকে নিয়োজিত করা স্মৃতির প্রভাব কমাতে সহায়ক।

তৃতীয়ত, জোর করে কোনো কিছু ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিত নয়। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে, জোর করে স্মৃতি দূরে পাঠানোর চেষ্টা করলে তা আরও বেশি মনে পড়ে। বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে নিজেকে সময় দেওয়াই কার্যকর।

চতুর্থ উপায় হলো নতুন সম্পর্ক তৈরি করা। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া মস্তিষ্ককে বর্তমানের দিকে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। সামাজিক সংযোগ শক্তিশালী করলে আবেগের তীব্রতা হ্রাস পায় এবং পুরনো স্মৃতি ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে যায়।

পঞ্চম ধাপে কল্পনার প্রক্রিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে। চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন, আপনি পৃথিবীর এক প্রান্তে একটি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। সেই দরজার ওপাশে ওই ব্যক্তি বা ঘটনা ঘটে। এরপর কল্পনায় দরজাটি বন্ধ করুন এবং নিজের পৃথিবীতে মনোনিবেশ করুন। এটি মস্তিষ্ককে বার্তা দেয় যে বর্তমান জীবনে ওই স্মৃতিটি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

এ ধরনের ধারাবাহিক মনস্তাত্ত্বিক অনুশীলন মস্তিষ্কে স্মৃতির গুরুত্ব কমাতে সাহায্য করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুরনো ব্যক্তি বা ঘটনা ধীরে ধীরে স্মৃতিতে কম প্রভাব ফেলে এবং ব্যক্তি মানসিকভাবে আরও স্থিতিশীল হতে পারে।

উপরোক্ত কৌশলগুলো বাস্তবসম্মত ও সহজভাবে অনুসরণযোগ্য। নিয়মিত প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যক্তি প্রিয়জন বা অতীতের কোনো ঘটনাকে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয় এবং বর্তমানের জীবনে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com