1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাইকোর্ট বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারা বহাল রাখলেন, সালিশি অনুমতি বাধ্যতামূলক ঘোষণা উন্নত প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে বিএফডিসির আধুনিকীকরণে গুরুত্বারোপ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ‘গণভোট-২০২৬’ প্রশিক্ষণ ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্নের নির্দেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানিতে ৫৮ প্রার্থী পুনর্বহাল কলম্বিয়ার মধ্য-পূর্বাঞ্চলে ব্যক্তিগত বিমান দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইয়েসন জিমেনেজসহ ছয়জন নিহত গোল্ডেন গ্লোবসের মনোনয়ন তালিকায় আন্তর্জাতিক ছবির জোরালো উপস্থিতি সম্মতি ছাড়া নাবালিকা বয়সে বিয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বক্তব্য দিলেন মনোহারা ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু, প্রদর্শিত হবে ৯১ দেশের ২৪৬টি চলচ্চিত্র নির্মাতা-অভিনেত্রী আফসানা মিমির জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ ও নামকরণের গল্প

সম্মতি ছাড়া নাবালিকা বয়সে বিয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বক্তব্য দিলেন মনোহারা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক
ইন্দোনেশীয়-আমেরিকান মডেল মনোহারা ওডেলিয়া পিনট নাবালিকা বয়সে সম্মতি ছাড়া সংঘটিত তার তথাকথিত বিয়ে ও সেই সময়কার অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন করে বক্তব্য দিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের তৎকালীন সুলতানের পুত্র টেংকু মুহাম্মদ ফাখরি পেত্রার সঙ্গে তার যে সম্পর্কের কথা বলা হয়, তা কোনোভাবেই সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠেনি এবং সেটিকে বৈধ বিয়ে হিসেবে উল্লেখ করাও সঠিক নয়।

মনোহারা পিনট জানান, বিয়ের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, তিনি কখনোই ওই সম্পর্ক বা বিয়েতে স্বেচ্ছায় সম্মতি দেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় তিনি নাবালিকা ছিলেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা বা আইনি সক্ষমতা কোনোটিই তার ছিল না। ফলে এই ঘটনাকে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সংঘটিত বৈধ সম্পর্ক হিসেবে উপস্থাপন করা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

খোলা চিঠিতে মনোহারা বলেন, তার কৈশোরে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে অনেক সময় ‘রোমান্টিক সম্পর্ক’ বা ‘বিয়ে’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যা বিভ্রান্তিকর। তার দাবি, এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করলে জোরপূর্বক ও অসম ক্ষমতার সম্পর্ককে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়। তিনি জানান, ওই সময় তিনি নিজের ইচ্ছা প্রকাশের সুযোগ পাননি এবং পরিস্থিতির ওপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না।

বিয়ের পর তাকে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের রাজপ্রাসাদে নিয়ে যাওয়া হয় বলে মনোহারা অভিযোগ করেন। সেখানে তার চলাচল ও যোগাযোগের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ ছিল না এবং দৈনন্দিন জীবন অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত ছিল বলে তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পরিবেশে তিনি দীর্ঘ সময় এক ধরনের বিচ্ছিন্ন ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করেন।

মনোহারা আরও অভিযোগ করেন, সে সময় তিনি শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন। তার দাবি অনুযায়ী, এসব ঘটনা নিয়মিত ঘটত এবং তিনি বারবার আপত্তি জানালেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। বিষয়গুলো নিয়ে তিনি আগেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। তবে সাম্প্রতিক খোলা চিঠিতে তিনি মূলত তার পরিচয় ও ঘটনাটির বর্ণনা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বিশেষভাবে গণমাধ্যম, অনলাইন তথ্যভান্ডার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তাকে ‘সাবেক স্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ না করা হয়। তার যুক্তি হলো, এই পরিচয় ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটনাটিকে সম্মতিপূর্ণ ও বৈধ সম্পর্ক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, যেহেতু তিনি নাবালিকা ছিলেন এবং জোরপূর্বক এই পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন, তাই একে আইনি বিয়ে বলা যায় না।

মনোহারা স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৯ সালে একটি পারিবারিক সফরের সময় সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। নিজের মা, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সহায়তায় তিনি একটি হোটেল থেকে বের হয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ফিরে যান। ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে তার শারীরিকভাবে নিয়ন্ত্রিত জীবন শেষ হলেও, তার পরিচয় ও ঘটনার বর্ণনা নিয়ে বিভ্রান্তি এখনো রয়ে গেছে বলে তিনি মনে করেন।

খোলা চিঠিতে মনোহারা সাংবাদিক ও সম্পাদকদের উদ্দেশে অনুরোধ করেন, যেন তার জীবনের এই অধ্যায় বর্ণনার ক্ষেত্রে শব্দচয়নে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। তার মতে, এটি শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিষয় নয়; বরং নাবালিকার সম্মতি, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং নির্যাতনের মতো গুরুতর সামাজিক ও আইনি প্রশ্নের সঙ্গে জড়িত একটি ঘটনা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার উপস্থাপনায় আরও দায়িত্বশীল ও প্রাসঙ্গিক ভাষা ব্যবহৃত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com