শিক্ষা ডেস্ক
বেসরকারি এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিওভুক্ত (MPO) শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) মাধ্যমে পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও শাখার সহকারী পরিচালক-১১ মো: সাইফুল হক খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি যারা নতুনভাবে এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং ইনডেক্স নম্বর পেয়েছেন, তাদের বেতন-ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অধিদপ্তরের নির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মচারীকে প্রথমে TEMIS সফটওয়্যারে লগইন করে ‘Non Govt. Employee Add Employee’ অপশনে নিজের তথ্য সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে। এরপর ‘MPO EFT Employee Status’ অপশন সক্রিয় করে স্ট্যাটাস কর্মরত হিসেবে নির্ধারণ করতে হবে। বেতন-ভাতার ইএফটি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ‘MPO EFT EDIT’ বাটনে ক্লিক করে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ব্যক্তিগত এবং ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্যাদি সঠিকভাবে এন্ট্রি করে Update করতে হবে।
এছাড়া, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যে, তারা নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর তথ্য যথাযথভাবে প্রেরণ নিশ্চিত করবেন। বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে, তথ্য প্রেরণে যে কোনো ভুল বা বিলম্বের কারণে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী বা কর্মচারীকে নিজেই বহন করতে হবে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এই নির্দেশনা কার্যকর হলে নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা দ্রুত ও সঠিকভাবে তাদের বেতন-ভাতা ইএফটির মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন। শিক্ষা খাতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ ও নির্ভুলভাবে পরিচালনার সুযোগ দেবে।
নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে চলা না হলে নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব বা ত্রুটি দেখা দিতে পারে, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্যাদি নির্ভুলভাবে হালনাগাদ করা অত্যন্ত জরুরি।
এছাড়া, শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কারিগরি শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোতে তথ্য ব্যবস্থাপনার এই ধরনের ডিজিটাল প্রক্রিয়া শিক্ষকদের সময় সাশ্রয় এবং প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাসে সহায়ক হতে পারে। তবে, সঠিক তথ্য প্রদান এবং নিয়মিত আপডেট না করলে এ ধরনের সুবিধা কার্যকর হবে না।
মোট কথা, নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য এই নির্দেশনা অনুসরণ নিশ্চিত করা হলে তাদের বেতন-ভাতা প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, নির্ভুল ও দ্রুত হবে এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রমও সমন্বিতভাবে পরিচালিত হবে।