1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাকায় ‘গণমাধ্যম সম্মিলন ২০২৬’ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে লক্ষ্মীপুরে প্রবাসী ভোটারদের আগ্রহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন মাত্রা গ্যাপেক্সপো-২০২৬ শুরু, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ ও প্যাকেজিং খাতে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি চট্টগ্রামের রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা সিআইডি গ্রেপ্তার করলো ইসি কর্মচারীসহ এনআইডি তথ্য চুরি চক্র যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ ও বিক্রি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী’র আমিরের আহবান: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যাপারে বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য এড়ানোর জন্য সতর্কতা ভোটকালীন অনিয়মে অভিযোগ: ২০১৮ সালের নির্বাচনে ব্যালট পূরণের প্রক্রিয়ায় বিতর্ক বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সঙ্গে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান মোকাবিলায় দায়মুক্তি আইন প্রণয়নের খসড়া

ভোটকালীন অনিয়মে অভিযোগ: ২০১৮ সালের নির্বাচনে ব্যালট পূরণের প্রক্রিয়ায় বিতর্ক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ উঠে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট আগের রাতেই ব্যালট বাক্সে রাখা হয়েছিল। রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত ব্যালট বাক্স সিল করা হয় এবং সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও পুলিশ নৌকা প্রতীকে এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৎকালীন পুলিশের আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী শেখ হাসিনাকে রাতের বেলা ব্যালট বাক্স ধরে রাখার পরামর্শ দেন। পরে শেখ হাসিনা এই পরামর্শ মেনে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন এবং আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করেন।

তদন্ত কমিশন তিনটি জাতীয় নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) ঘটনা পর্যালোচনা করেছে। কমিশনটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইনকে প্রধান করে গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি দলে পরিচালিত হয়। সম্প্রতি তারা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করেছেন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২১৩টি কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে ১২২টি কেন্দ্রে ৯৯ শতাংশ বা তার বেশি ভোট পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ৭,৬৮৯টি কেন্দ্রে ভোটের শতকরা হার ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশের মধ্যে ছিল।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে, ভোটের দিনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে ব্যাপকভাবে বাধা দেওয়া হয়। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করেছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনী সংস্কার ও ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রতিবেদনটি ভোট প্রক্রিয়ায় নিয়মের উলঙ্ঘন, নির্বাচনী প্রভাব এবং প্রশাসনিক দায়িত্বের দিক থেকে অনুসন্ধানী তথ্য উপস্থাপন করছে। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পর্যালোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com