1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ পালিত হচ্ছে। ইসলাম ধর্মে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত, নফল নামাজ ও দোয়ার মাধ্যমে পালন করবেন।

শবে মেরাজ ইসলামের ইতিহাসে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। ঐ রাতেই আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করার বিধান দেন। নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর এই নির্দেশ অনুযায়ী মানবজাতির জন্য প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায়ের বিধান পৌঁছে দেন, যা ইসলামের অন্যতম মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে এক রাতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি পূর্ববর্তী নবীদের সাথে জামে নামাজে ইমামতি করেন। কুরআনে বর্ণিত এই ঘটনাকে ‘ইসরা’ নামে উল্লেখ করা হয়।

এরপর তিনি ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে আরোহন করে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.)। এ সময় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সিদরাতুল মুনতাহা, বেহেশতের নদীসমূহ, ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মা’মুরসহ বিভিন্ন আধ্যাত্মিক নিদর্শন পরিদর্শন করেন এবং মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন।

এই পবিত্র রাতে মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজ নিজ ঘরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযগার, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনা করেন। বিশেষভাবে এই রাতের ইবাদত মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, ধার্মিকতা ও আল্লাহর প্রতি ভক্তি বৃদ্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে গণ্য করা হয়।

শবে মেরাজের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য ইসলামি শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে, যা নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে মুসলিম সমাজে আজও স্মরণ ও পালিত হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com