1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

হাসপাতাল-ক্লিনিক বানালে ১০ বছর কর দিতে হবে না

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ২০৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক করোনা সংকটে স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতার চিত্র উঠে এসেছে। হাসপাতালে শয্যাসহ চিকিৎসাসরঞ্জামাদির অভাব ছিল। স্বাস্থ্য খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী বাজেটে নতুন করে কর অবকাশসুবিধা দেওয়া হচ্ছে। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এবং বিভাগীয় শহরের বাইরে হাসপাতাল-ক্লিনিক নির্মাণে বিনিয়োগ করলে ১০ বছরের কর অবকাশসুবিধা দেওয়া হতে পারে। ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সুযোগ মিলবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, এই সুবিধা শুধু সাধারণ ও বিশেষায়িত—দুই ধরনের হাসপাতালে বিনিয়োগকারীরা পাবেন। তবে কিছু শর্ত জুড়ে দিতে পারে এনবিআর।

যেমন হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কমপক্ষে ২০০ হতে হবে। শয্যাসংখ্যার অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) শয্যা থাকতে হবে। কত লোকের কর্মসংস্থান হবে, কত বিনিয়োগ হবে, তা জানাতে হবে এনবিআর। সার্বিকভাবে একটি বিনিয়োগপরিকল্পনা জমা দিয়ে এনবিআরের কাছ থেকে কর অবকাশসুবিধার আবেদন করতে হবে।

এ ছাড়া ওই সব হাসপাতালের যন্ত্রপাতি আমদানিতেও শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত করপোরেট করহার আরোপ করা আছে। যেমন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে ২৫ শতাংশ এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হলে সাড়ে ৩২ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে ওষুধ কোম্পানি কর অবকাশসুবিধা পায়।

কোভিড-১৯–এর প্রকোপ শুরুর পর দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা তা সামাল দিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। করোনায় জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী, যেমন: পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গগলস, ফেসশিল্ডসহ যাবতীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর ওপর সব ধরনের শুল্ক-কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই আগামী অর্থবছরে অব্যাহত থাকবে। এসব সামগ্রী দেশে উৎপাদকদের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-কর এবং উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com