1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তা শঙ্কায় অনড় বিসিবি ধর্মের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে নির্বাচনী প্রচারে বিএনপি প্রার্থী রুমীর বক্তব্য ভোলাহাটে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান শাবিপ্রবিতে শাকসু নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই; অঙ্গীকারনামা নিয়ে অনিশ্চয়তা জেফার রহমান ও রাফসান সাবাবের বিয়ে আজ শিক্ষা ব্যবস্থা তরুণদের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের আহ্বান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত গণভোট গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা: চলমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা নিয়ে আঞ্চলিক সম্মেলন শুরু প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংকে শারীয়াহভিত্তিক ঋণ কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হবে

শূন্য থেকে টাকার কুমির হেনরীর হাজার কোটি টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে

জান্নাত আরা তালুকদার হেনরী। এক আলোচিত-সমালোচিত নাম। ছিলেন উচ্চবিদ্যালয়ের গানের শিক্ষিকা। আয় বলতে ছিল স্কুলের বেতন। সেই হেনরী গত দেড় দশকে শূন্য থেকে হয়েছেন হাজার কোটি টাকার মালিক। প্রতি বছর আয়কর দেওয়ার সময় কালো টাকা সাদা করার তালিকায় নাম থাকত তার। ২০০৮ সালে সিরাজগঞ্জ সদর (সিরাজগঞ্জ-২) আসন থেকে নৌকার মনোনয়ন পেলেও সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। অবশ্য তার পরাজয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগের এক বড় নেতাকে দায়ী করা হয়। পুরস্কার স্বরূপ হেনরীকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালক করা হয়। এখান থেকেই জান্নাত আরা তালুকদার হেনরীর উত্থান শুরু। হলমার্ক কেলেঙ্কারি, ঋণপ্রদান ও মওকুফ, চাকরিবাণিজ্য, কর্মকর্তাদের পদোন্নতি, বদলিসহ নানা কর্মকাে র মাধ্যমে শূন্য থেকে যাত্রা শুরু করে কোটিপতি বনে যান স্থানীয় সবুজ কানন উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক হেনরী। শুধু নিজ জেলা সিরাজগঞ্জ নয়, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, পটুয়াখালী ও ঢাকায় তার অঢেল সম্পদের ছড়াছড়ি। নামে-বেনামে খুলেছেন বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান। এ যেন হাতে আলাদিনের চেরাগ। সিরাজগঞ্জে কথিত আছে, ‘টাকার জোরেই’ ২০২৩ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বাগিয়ে নেন তিনি। শক্ত কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলেও কোটি কোটি টাকা খরচ করে হয়ে যান এমপি। এমপি হয়েই জেলার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেন। রাজনীতির পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, অফিসে ছড়ি ঘোরান তিনি। টেন্ডার, নিয়োগ, বদলি সবকিছুই তার ইশারায় চলে আসে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাস জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর পর ফাঁকা হয় জেলা পরিষদ পদ। জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেয়নি। সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। এ পদের জন্য জেলা আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ ছিলেন। কিন্তু হেনরীর খায়েস হয় জেলাকে নিয়ন্ত্রণ করার। সে কারণে তার স্বামী শামীম তালুকদার লাবুকে প্রার্থী করেন।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com