1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

মশায় অতিষ্ঠ ঢাকাবাসী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫
  • ১১২ বার দেখা হয়েছে

গুলশানের লেকপাড় এলাকার বাসিন্দা নাহিদ হাসান একটি অ্যাপার্টমেন্টের ছয়তলায় থাকেন। সেখানে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। বললেন, ‘মশা দিনের বেলায়ও গুনগুন করে। ছয়তলার ফ্ল্যাটে দরজা-জানালা বন্ধ করলেও মশার যন্ত্রণায় দিনের বেলায় স্প্রে করতে হয়। তার পরও মশার গান থামে না।’

পল্লবীর রূপনগর এলাকায় মুদি দোকান করেন মফিজুর রহমান। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। সমকালকে তিনি বলেন, ‘সকালে দোকান খোলার সঙ্গে সঙ্গে কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। তার পরও নিস্তার নেই। অবস্থাটা এমন, যেন কয়েলের ওপরেই মশা বসে থাকে।’

পল্লবীর আরেক বাসিন্দা বিকাশ চন্দ্র রায় বলেন, বিকেল হতেই মশা জেঁকে বসে। সাততলার ওপরেও মশা। মশক কর্মীদের এখন তেমন দেখাই যায় না।

বস্তি এলাকার চিত্র আরও খারাপ। কড়াইল বস্তির রাসেল মিয়া বলেন, ‘শীত শেষ হতেই মশার যন্ত্রণা বেড়েছে। দিনে মশা। যখন সাহ্রি খাইতে উঠি, তখনও মশা। বস্তিতে তো কয়েল সব সময় লাগানো যায় না; কখন কী হয়! তাই ঘরে থাকলে মশারির মধ্যেই থাকতে হয়।’

রাজধানীর অধিকাংশ এলাকার চিত্র এমনই। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, মাণ্ডা, মুগদাপাড়া, খিলগাঁও, পুরান ঢাকার কিছু এলাকা, মিরপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর ও রামপুরার পরিস্থিতি বেশি খারাপ।

রাজধানীতে ভয়াবহভাবে মশার উৎপাত বাড়লেও দুই সিটি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। কার্যকর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ নগরবাসীর। রাজধানীর মালিবাগ এলাকার গুলবাগের বাসিন্দা রোকন মিয়া বলেন, ‘আগে মশার ওষুধ না দিলে কাউন্সিলর অফিসে যাইতাম। এখন মশার ওষুধ দেয় না। কোথায় যাব, সেটাও জানা নাই।’
মিরপুরের বাসিন্দা দিদার একই কথা বললেন, ‘আগে প্রতি সপ্তাহে মশার ওষুধ ছিটানো হতো। কিন্তু এখন নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে না।’’বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com