1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

সিনেমা হল উন্নয়ন থেমে আছে যে কারণে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৩৯ বার দেখা হয়েছে

দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের সদিচ্ছার সীমা নেই। এ লক্ষ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণে দফায় দফায় সরকার সরকারি অনুদানের অর্থ বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। শুধু ভালো ছবি নির্মাণ করলে চলবে না। ছবি প্রদর্শনের জন্য চাই দর্শক উপযুক্ত সিনেমা হল। আর তাই সরকার এই দিকটায়ও নজর দিয়েছেন। ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিনেমা হল নির্মাণে ঋণ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেন। এর দুই দিন পর তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সমিতির নেতারা। তখন বন্ধ হয়ে যাওয়া হলের সংস্কার ও নতুন সিনেমা হল তৈরিতে স্বল্প সুদে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার উদ্যোগের কথা জানায় সরকার। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ঋণ তহবিলের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ হাজার কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে ৫০০ কোটি টাকা প্রথম পর্যায়ে ছাড় করানো হয়। এই ঋণ বিতরণে সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদানের দায়িত্ব দেয়। চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির অভিযোগ বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও শুধু ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতার কারণে ঋণ পাচ্ছে না সিনেমা হল মালিকরা। প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস জানান, এখন পর্যন্ত অগ্রণী ব্যাংকে ৩৫টি, সোনালী ব্যাংকে পাঁচটি ও রূপালী ব্যাংকে চারটি আবেদন ও প্রজেক্ট প্রোফাইল জমা পড়ে আছে। কিন্তু ব্যাংকের নানা তালবাহানার কারণে ঋণের দেখা পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com