1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

আয় কমেছে ৯০ ভাগ মানুষের ♦ ২ কোটি লোক দারিদ্র্যঝুঁকিতে ♦ মাসে দুই দিন কাজ না পেলে গরিব বেড়ে দ্বিগুণ হবে ♦ অসমতা বেড়েছে ২০১৬ সাল থেকে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১০৩ বার দেখা হয়েছে

দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষের আয় কমে গেছে। ফলে ২ কোটি লোক দারিদ্র্যঝুঁকিতে পড়ে গেছে। এদের মাসিক আয় গরিবি সীমার (পভার্টিলাইন) এত কাছাকাছি যে, মাসে দুই দিন কাজ না করলেই তারা দরিদ্র হয়ে যাবে। তখন গরিব মানুষের সংখ্যা বর্তমানের চেয়ে বেড়ে দ্বিগুণ হবে। বিগত সরকারের অর্থনৈতিক অনিয়মের ওপর ভিত্তি করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত শ্বেতপত্রে  এসব পর্যালোচনা তুলে ধরা হয়েছে। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্যরা বলছেন, বিগত ১৫ বছর উন্নয়নের যে বয়ান রচিত হয়েছে, তা এতটাই ভঙ্গুর যে, টোকা দিলেই ঝরে যাবে। তাঁদের দাবি, প্রবৃদ্ধির সুফল গেছে মূলত ১০ ভাগ মানুষের ঘরে। বাকি ৯০ ভাগ মানুষের ঘরে গেছে তলানির ছিটেফোঁটা অংশ। দুর্নীতি, লুটপাট, আয়বৈষম্য আর অসমতার কারণে প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে সঠিকভাবে পৌঁছেনি। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন বলেন, ‘২০১৬ ও ২০২২ সালের খানা আয়ব্যয় জরিপ পর্যালোচনা করে আমরা দেখেছি, বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের যে গল্প ছড়ানো হয়েছে সেটা আংশিক সত্য। দারিদ্র্যের হার কমে ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে এটা সত্য, তবে দারিদ্র্যসীমার ওপরে আরও ২ কোটি লোক রয়েছে। তারা অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে। কোনো কারণে এ লোকগুলো মাসে দুই দিন কাজ না পেলে আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবে। অর্থাৎ নতুন করে এ ২ কোটি লোক গরিব হয়ে যাবে। তখন দারিদ্র্যের হার বর্তমানের ১৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৬ শতাংশে চলে যাবে। বর্তমানে যে ৩ কোটি লোক গরিব রয়েছে, এটি বেড়ে ৫ কোটি হয়ে যাবে।বিস্তারিত’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com