সম্প্রতি কয়েক লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য চুরি হয়ে গেছে। এটা কেউ জানতেও পারেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গণমাধ্যমে এক সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হলে এ ব্যাপারে আলোচনার সূত্রপাত হয়।
নির্বাচনের বছরে জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনে উৎসে কর ২৪ গুণ একসঙ্গে বাড়ায় সর্বনাশা পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে দেশের আবাসন শিল্পে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই কর ক্ষেত্রবিশেষে ৫০ থেকে ৬০ গুণ বেড়ে যেতে
‘অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরশিদুল কবীর অনৈতিকভাবে গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য প্রদান করেছেন। তার দেওয়া তথ্য ও বক্তব্যসহ গত ৫ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ঋণ খেলাপিকে আরো ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ অগ্রণী
ডলার সংকটের মধ্যে বিভিন্ন খাতে এর দাম বেঁধে দিয়েও নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ব্যাংক নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি দামে রেমিট্যান্স কিনছে, আমদানির বিল পরিশোধের ক্ষেত্রেও বেশি
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমলেও দেশের বাজারে উলটো চিত্র। আন্তর্জাতিক বাজারে এক বছরের ব্যবধানে চিনি ছাড়া প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম কমেছে গড়ে ২১ শতাংশ। এর প্রভাবে বৈশ্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির
বিশ্ব অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৩ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন। এই তালিকায় এবার ১৪ ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের সূচকে ৫৪.৪ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১২৩তম অবস্থানে
ব্যাংক খাতের বোঝা উচ্চ খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণ আদায়ে তদারকি বাড়ানোর কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য নেওয়া পদক্ষেপগুলো চলমান রাখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জানুয়ারি-মার্চ সময়ের জন্য প্রকাশিত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এসব কথা
মো. খাইরুল ইসলাম বেসিক ব্যাংকের একজন ঋণখেলাপি। ব্যাংকের টাকা পরিশোধ না করলেও সরকারি চাকরিতে তাঁর একের পর এক পদোন্নতি হয়েছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সময় ২০১০ সালে ছিলেন উপসচিব। এরপর
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ডলার কেনার একটি দর ঠিক করছে ব্যাংকগুলো। প্রবাসীদের থেকে রেমিট্যান্স কেনায় সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা এবং রপ্তানি বিল নগদায়নে ১০৭ টাকা ৫০ পয়সার বেশি না দেওয়ার
দেশে-বিদেশে সৃষ্ট নেতিবাচক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি চার ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে-ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ