দেশের খুচরা বাজারে (কার্ব মার্কেট) হঠাৎ করেই ডলারের দরপতন হয়েছে। মানি এক্সচেঞ্জগুলোয় প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য নেমে এসেছে ১১০ টাকা ৫০ পয়সায়। যদিও এর বিপরীত চিত্র ব্যাংকে। দেশের কোনো কোনো
দেশে আয়বৈষম্য আরও বেড়েছে। ধনীদের আয় আরও বেড়েছে। যেমন দেশের সবচেয়ে বেশি ধনী ১০ শতাংশ মানুষের হাতেই এখন দেশের মোট আয়ের ৪১ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে গরিব ১০ শতাংশ মানুষের আয়
দুই কারণে দেশ থেকে টাকা পাচার বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্টরা। প্রথমত, অর্থনৈতিক দুর্বলতা এবং দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা। যে কোনো সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে-এমন আশঙ্কায় টাকা দেশের বাইরে
বিধিনিষেধ ও ভিসা নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বড় অংকের অর্থ গচ্ছিত রাখা এখন আর নিরাপদ মনে করছেন না ধনাঢ্য বাংলাদেশী ও অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থের মালিকরা। মার্কিন প্রভাববলয়ের পশ্চিমা দেশগুলো নিয়েও ভরসা
সরকারের সাবেক একজন পদস্থ ব্যক্তির কাছে ‘নতুন ব্যাংকের মালিক’ হওয়ার আশ্বাস পেয়ে ২০১৭ সালে দেশে আসেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সহসভাপতি আবুল কাশেম। অনুমোদন পাওয়ার আগেই রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে ‘প্রস্তাবিত
আয়কর রিটার্ন দাখিলে ন্যূনতম ২ হাজার টাকা কর দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাহার হতে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে বল পয়েন্ট পেন বা কলম উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাটের প্রস্তাবও প্রত্যাহার হতে
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ডলার। এর প্রভাব রয়েছে প্রায় প্রতিটি উন্নত দেশে। আমাদের দেশেও বাণিজ্যিক লেনদেনে ডলারের ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে এর মধ্যেই বিভিন্ন দেশে এর ব্যতিক্রম ঘটে থাকে।
দোকানে পাশাপাশি দুই জায়গায় পেঁয়াজ রাখা। একটু বড় আকারের দেশি পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা। আর আকারে একটু ছোট হলে দাম ৭০ টাকা। গত মাসের শেষের দিকে হঠাৎ করেই দেশি পেঁয়াজের
গোপনীয়তা রক্ষা না হওয়ায় গন্তব্য পরিবর্তন করছেন পাচারকারীরা। সুইস ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ তুলে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, কেমান আইল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, বারমুডার মতো দেশগুলোতে নিয়ে যাচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের
সরকারি গুদাম থেকে খাদ্যপণ্য চলে যাচ্ছে কালোবাজারে। সরকারি সিল সংবলিত মোড়ক পাল্টে খাদ্যপণ্য প্যাকেটজাত হচ্ছে অন্য কোম্পানির নামে। এসব পণ্য খোলাবাজারে বিক্রি করে অন্তত ২০টি চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে কাঁড়ি কাঁড়ি