নানা পদক্ষেপের পরও ডলারের বাজারে অস্থিরতা ঠেকানো যাচ্ছে না। আন্তঃব্যাংকের পাশাপাশি খোলাবাজারেও ছুটছে ডলারের দাম। এক্ষেত্রে কারসাজিরও আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে ডলার বিক্রি করে দেখানো হচ্ছে কম
বিশ্বব্যাংক বলেছে, মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ, মূলধন সংকট ও সুশাসনের অভাবে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে ঝুঁকির মাত্রা বেড়েছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বাড়ছে আর্থিক সংকট।
ডিজিটাল ব্যাংক নীতিমালা আসছে। এ ব্যাংক নীতিমালায় ঋণখেলাপিদের জন্য দুঃসংবাদ বয়ে আনছে। আর তা হলো ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হতে হলে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি হওয়া যাবে না। কোনো
আগামী জুলাইয়ে শুরু হতে যাওয়া নতুন অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে, একই সঙ্গে কমে আসবে মূল্যস্ফীতির চাপও। তবে পণ্য আমদানিতে অব্যাহত নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং জ্বালানি ঘাটতির নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিল্প
প্রথমবারের মতো নিজস্ব মুদ্রা টাকায় বৈদেশিক বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। বিদেশি মুদ্রার মজুতের ওপর চাপ কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেস প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৬৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ডলার বিনিময় হারের নামে লুটপাট করছে। ডলারের দাম বাড়িয়ে লুটের মালের মতো প্রতি ডলারে ১১৪ থেকে
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার পরবর্তী ছয় বছর বাংলাদেশকে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধার আওতায় রাখতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীদের সমর্থন চেয়েছে ঢাকা। আগামী বছরের শুরুতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৩তম মন্ত্রী
ভোগ্যপণ্যের বাজারে স্বস্তির খবর নেই। আমদানি, পাইকারি, খুচরা তিন ধাপেই যে যার মতো বাড়াচ্ছে নিত্যপণ্যের দাম। বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়া ও সরবরাহ কম থাকার ছুতায় ব্যবসায়ীরা দর বাড়ালেও তথ্য-উপাত্ত বলছে
দেশে উৎপাদিত খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির পর সরকার বেশকিছু পণ্যের আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এর পরপরই ভেল্কিবাজির মতো এসব পণ্যের দরপতন ঘটেছে। অর্থনীতিবিদ ও বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এসব ঘটনা থেকে খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের
গ্যাস সংকটের পাশাপাশি লাগামছাড়া লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানায় উৎপাদনেও ধস নেমেছে। রপ্তানি পণ্যের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত, বিদেশি ক্রেতা হারানো ও জরিমানার আশঙ্কা করছেন শিল্প মালিকরা। লোডশেডিংয়ের সময় যাঁরা নিজস্ব জেনারেটরে কারখানা চালাচ্ছেন, তাঁদের