অস্থির এক সময়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বর্তমান সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের শেষ বাজেটটি দিতে যাচ্ছেন। করোনা মহামারির পর শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট সময়ের সঙ্গে আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
দেশি পিঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গত ১৬ মার্চ সরকার পণ্যটির আমদানি বন্ধ করে দেয়। আমদানি বন্ধের দিন বাজারে পিঁয়াজের খুচরা মূল্য ছিল প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। রোজার মাসেও
বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন বলছে, গত জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে নিম্নমধ্যম আয়ের অধিকাংশ দেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ শতাংশের ওপর। তবে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে এ হার ১০ শতাংশের বেশি। ফুড
নিজস্ব প্রতিবেদক বিভিন্ন অজুহাতে লাগামহীনভাবে সপ্তাহান্তে ১০ থেকে ১৫ টাকা দাম বাড়িয়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির দাম বেড়ে ক্রেতাদের জন্য অস্বস্তির পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। কেজিপ্রতি
পণ্য আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয়ে বড় পার্থক্যের কারণে বাণিজ্য ঘাটতি ক্রমাগত বাড়ছে। এটি বৈদেশিক বাণিজ্যে রীতিমতো উদ্বেগ তৈরি করছে। একই সাথে ডলার মার্কেটে অশান্তি বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিগত বকেয়ার চাপে
দেশের বাণিজ্য পদ্ধতি সরলীকরণ, বাণিজ্য ব্যয় কমানো এবং অটোমেশনের মাধ্যমে বাণিজ্য কার্যক্রমে গতি আনাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোজ (এনএসডব্লিউ) প্রকল্প হাতে নেয়। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ২০১৯ সালের ১১
প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে সোনার বার কিনে দেশে এনে পাচার করছে চোরাকারবারিরা। একই সঙ্গে বিদেশে শ্রমিকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ বিকাশ-নগদের মাধ্যমে দেশে আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার সহজশর্তে সুযোগ দিলেও তাতে লাভ হয়নি। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো মাত্র ৭ শতাংশ কর দিয়ে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ দেয়
নিজস্ব প্রতিবেদক বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য তিনটি বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এগুলো হচ্ছে ধারাবাহিক উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ, বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতা এবং প্রধান বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির ধীরগতি।
কঠিন শর্ত বাস্তবায়ন করতে না পারায় বিশ্বব্যাংকের ঋণের ৪৫ শতাংশ অর্থই ছাড় করাতে পারছে না বাংলাদেশ। ফলে পাইপলাইনে আটকে রয়েছে মোটা অঙ্কের অর্থ। বিশ্বব্যাংক গত ৫০ বছরে বাংলাদেশকে কম সুদে