1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস আজ নৈরাজ্যের বাজারে স্বস্তিতে নেই ভোক্তা সারা দেশে অভিযান পরিচালনায় জনবল মাত্র ১০৮ জন * ঢাকায় আড়াই কোটি মানুষের জন্য ৫ জন কর্মকর্তা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩
  • ১১২ বার দেখা হয়েছে

ভোক্তা অধিকার থাকতে পারে, কয়েক বছর আগেও বিষয়টি তাদের জানা ছিল না। নৈরাজ্যের বাজারে তাদের অধিকার সংরক্ষণে আইন হলো। সেই আইনের আলোকে ২০০৯ সালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও হলো। মাঝখানে চলে গেছে ১৪ বছর।

ভোক্তা কী পেল এই ১৪ বছরে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দিকে নজর দেওয়া যাক। প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ভোক্তার স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য গঠিত এই অধিদপ্তর কার্যত দেশের ১৭ কোটি মানুষের জন্য কাজ করতে ব্যর্থ।

১০৮ জন কর্মকর্তা দিয়ে সমগ্র দেশে অভিযান পরিচালনা করার বাস্তবসম্মত কোনো সুযোগও নেই। এর মধ্যে ঢাকায় আড়াই কোটি মানুষের জন্য কর্মকর্তা রয়েছেন মাত্র পাঁচজন। সবার প্রশ্ন কীভাবে সম্ভব এই জলবল দিয়ে ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ করা।

আজ জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস। দিবসটি সামনে রেখে ১৪ বছরের কর্মকাণ্ডের প্রতি নজর দিলে হতাশার চিত্রই দেখতে পাওয়া যায়।

এই হতাশা থেকে মানুষকে রক্ষায় একটি নতুন খবর দিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি জানিয়েছেন, ভোক্তার অধিকার রক্ষায় আইনটি অনুপযোগী। ফলে সময়োপযোগী করার প্রস্তাব করা হয়েছে সরকারের কাছে।

কয়েকজন ভোক্তার বাস্তব অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর আদৌ কতটুকু করতে পারছে; কিংবা কেন পারছে না। পণ্যের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা, ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ, ওজনে কারচুপি ঠেকানো এবং

বাজার অব্যবস্থাপনা রোধের লক্ষ্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর হলেও এই প্রতিষ্ঠানের কাজে সুফল থেকে দেশের মানুষ বঞ্চিত।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com