1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

খাদ্য মূল্যস্ফীতি সাড়ে ১১ বছরে সর্বোচ্চ, মানুষের কষ্ট আরও বাড়ল সরকার আশা করেছিল মূল্যস্ফীতি কমবে, উল্টো বেড়ে গেছে।

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৯৬ বার দেখা হয়েছে

ঢাকার দিয়াবাড়ি এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায় ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন আবদুল্লাহ আল মামুন। এ বছরের জানুয়ারি মাসে তাঁর চার হাজার টাকা বেতন বেড়েছে। এখন মাসে মোট বেতন ৪০ হাজার টাকার মতো। থাকেন কাওলা এলাকায়। দুই ছেলে-মেয়ে, স্ত্রীসহ চারজনের সংসার।

বাজারে নিত্যপণ্যের দামের উত্তাপে মাসের আয় দিয়ে চলা আবদুল্লাহ আল মামুনের জন্য কঠিন। প্রায় প্রতি মাসেই আত্মীয়স্বজন-বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হচ্ছে তাঁকে।

আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘যেদিন বেতন হয়, সেদিনই টাকা প্রায় ফুরিয়ে যায়। দোকানের বাকি টাকা, বাসাভাড়া পরিশোধ করতে হয়।’ তিনি জানান, গত এক বছরে তাঁর বাজার খরচ বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ, মাসে খরচ ২৪-২৫ হাজার টাকা। মাছ-মাংস খাওয়া প্রায় বন্ধই বলা চলে। এরপর বাসাভাড়া, সন্তানের স্কুলের বেতন দেওয়ার পর হাতে তেমন কিছু থাকে না। ধার করতে হয় অন্য সব খরচ চালাতে। বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com