পদ্মা সেতু, শেয়ারবাজার এবং পাঁচতারকা হোটেলে বিনিয়োগের স্বপ্ন দেখিয়ে জালিয়াতি করেছিলেন প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদার ও তার ঘনিষ্ঠরা। এতদিন জানা গিয়েছিল তাদের প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন শুধু সাধারণ মানুষ। কিন্তু যুগান্তরের
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের খড়া যেন কাটছেই না। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ টানতে পারলেও বাংলাদেশ তা পারছে না। এ খড়ার প্রধান তিনটি কারণ বা বাধা চিহ্নিত করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কারণ ছিল ভয়াবহ রকমের বৈষম্য। পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন না করে পশ্চিম পাকিস্তানকে প্রাধান্য দিয়েছিল। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে এ দেশের মানুষ ক্রমেই পিছিয়ে
আগে থেকেই উদ্যোগ নেওয়ার কারণে এবার রমজানে বেশির ভাগ নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। দোকানে সব ধরনের পণ্যও মিলছে। সারা দেশে সরবরাহ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে। তারপরও রোজার সুযোগ নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা
সরকারি তদারকি না থাকায় দেশের পোলট্রি খাতে হরিলুট চলছে বলে অভিযোগ করেছে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি দাবি করেছে, পোলট্রি খাতের করপোরোট প্রতিষ্ঠানগুলো গত ৫২ দিনে মুরগি ও
বাংলাদেশে বেড়েই চলেছে মুরগির দাম। বর্তমানে তা কেজিতে রেকর্ড ৩০০ টাকা ছুঁইছুঁই। তবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কেজিতে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রায় ১৫০ টাকা। বাংলাদেশের বিভিন্ন বাজারে গত শুক্রবার
প্রকট ডলার সংকটের কারণে এবার রোজানির্ভর পণ্যের সার্বিক আমদানি কম হয়েছে। এতে আমদানিনির্ভর কিছু পণ্যের সরবরাহ কম রয়েছে। গত অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারির তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রোজানির্ভর পণ্যের আমদানির এলসি
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাতে ব্যবসা পরিচালনায় ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ ব্যবসায়ীকে নানা সময় ঘুস দিতে হয়। ব্যবসায়ীদের ৬০ দশমিক ১ শতাংশ রাজনৈতিক প্রভাব এবং ৪৬ দশমিক ৩ শতাংশ
রমজানে ইফতারের সময় বেশির ভাগ রোজাদার লেবুর শরবত পান করে থাকেন। এবারের রোজায় সেই লেবুর দাম এমন চড়ে গেছে যে উল্টো ক্রেতাকেই কঠিন চিপ দিচ্ছে। বড় লেবুর হালি এখন ৮০
দেশে গত বছর পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। এবারের রোজার ঠিক আগে সেই চিনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০