1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে ইরানি বিপ্লবী গার্ডের কড়া হুঁশিয়ারি, আঞ্চলিক উত্তেজনা অব্যাহত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা ও সরকারের প্রস্তুতির দাবি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের, ২৬৮ আসনে প্রার্থী মাঠে গণভোট ও নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের বক্তব্য জামায়াত আমির ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির ভার্চুয়াল বৈঠকে শুল্ক ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা সামরিক আইন জারির চেষ্টা ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাধা: সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার ছয় আসনের নির্বাচনি সমন্বয়ক হলেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ইরানের রাজনৈতিক অস্থিরতায় রাশিয়ার প্রকাশ্য নীরবতা, আড়ালে কূটনৈতিক সমর্থনের ইঙ্গিত তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভের গুরুত্বপূর্ণ টেলিবৈঠক

চাঁদা দিন টোকেন নিন সারা দেশে ভয়াবহ পরিবহন চাঁদাবাজি, বাস ট্রাক থেকে শুরু করে থ্রি-হুইলার ও অবৈধ ছোট যানবাহনকে ঘাটে ঘাটে চাঁদা দিয়ে চলতে হয় প্রতিদিন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৯৬ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতুতে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় স্টিকার লাগিয়ে চাঁদা ওঠায় একটি চক্র। ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ লেখা এই স্টিকারের আড়ালে প্রতি বৈধ সিএনজি অটোরিকশা থেকে মাসে ২ হাজার টাকা ও অবৈধ অটোরিকশা থেকে ৩ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করছে চক্রটি। এ সড়কে চলাচল করা ৭/৮ হাজার অটোরিকশা থেকে চক্রটি মাসে ২ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে। কেউ টাকা না দিলে মারধরসহ অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে গাড়ি ডাম্পিং করে চক্রটি।

ভুক্তভোগী এক চালক বলেন, ২০২২ সালের ২৬ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ার পর বুড়িগঙ্গা সেতুর টোল বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় সেতুর ইজারাদার ছিলেন আলম ওরফে দিগম্বর আলম। টোল বন্ধ হওয়ার পরই আক্তার, ফয়সাল ও বাবু মহাজন চক্রটি স্টিকার লাগিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে। তারা মাসের প্রথম সপ্তাহেই অগ্রিম টাকা দিয়ে স্টিকার দেন চালকদের। চাঁদা না দিলে চালকদের মারধর করে। একই সঙ্গে পুলিশের মাধ্যমে গাড়ি ডাম্পিং করে। পরে টাকা দিয়ে স্টিকার লাগিয়ে গাড়ি ডাম্পিং থেকে বের করে আনতে হয়। তাদের এক কথা- এ সড়কে গাড়ি চালাতে হলে টাকা দিতে হবে, স্টিকার নিতে হবে।

একই চিত্র দেখা যায় রাজধানীর ভাসানটেক এলাকায়। ভাসানটেক বাজারের মোড় ব্যবহার করে মিরপুর-১৪ নম্বর, মাটিকাটা এবং দেওয়ানপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে ১০০-এর মতো এবং প্রায় ১৫০ সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। এ ছাড়া টেম্পোর সংখ্যা অর্ধশতাধিক। ব্যাটারিচালিত রিকশার কাছ থেকে প্রতিদিন নেওয়া হয় ৫০ টাকা। আর যারা মাসিক হারে টাকা দেন তাদের রিকশার পেছনের সিটের ওপর ছোট করে সিল এবং স্বাক্ষর দেওয়া থাকে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কাছ থেকে নেওয়া হয় ২২০ টাকা করে। আগে ছিল তা ২০০ টাকা। সিএনজিচালিত অটোরিকশার কাছে প্রতি ট্রিপে নেওয়া হয় ২০ টাকা করে। একই চিত্র মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ, পল্লবী, বাড্ডা, রামপুরা, ডেমরা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এবং যাত্রাবাড়ী এলাকা ঘুরে পাওয়া গেছে। শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশে পরিবহনে ভয়াবহ চাঁদাবাজি চলছে। বাস, ট্রাক, থ্রি হুইলারসহ বৈধ ও অবৈধ সব পরিবহনই চাঁদাবাজ চক্রে জিম্মি। প্রতিদিন, সাপ্তাহিক, মাসিক হারে টোকেন বাণিজ্য করছে চাঁদাবাজ চক্রটি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com