দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠের রাজনীতিতে সরব দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। সরকার পতনের একদফা দাবিতে টানা কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে বিএনপি। নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিসানীতি কার্যকরের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে দেশের সর্বস্তরে এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। দেশের রাজনীতিক, বিচারবিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, এমনকি গণমাধ্যমের ওপরও এ ভিসানীতি কার্যকর করার খবরে সাধারণ
‘কঠোর কর্মসূচি আসছে’- আন্দোলনের এমন বার্তা দিয়ে বিএনপির রোডমার্চ এখন খুলনামুখী। সরকারের পদত্যাগ সহ একদফা দাবি আদায়ে দলটির এই রোডমার্চ। এটি লাগাতার কর্মসূচির সপ্তম দিন। আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টায়
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতে মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে সরকারের ওপর একটি বড় চাপ হিসেবে দেখছে বিএনপি। দলটি আন্দোলন কর্মসূচি আরো জোরালো করে এই চাপকে ঘণীভূত করতে চায়। সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এই সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান,
আসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র তিন মাস বাকি। এর মধ্যেই দেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। থমকে গেছে ভোটের প্রচারণা রাজনীতি।
উন্নত বিশ্ব থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে প্রাণশক্তি বিবেচনা করা হয় সিএমএসএমই খাতকে। উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ অর্থনৈতিক অবলম্বন তৈরি এবং শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি—সব ক্ষেত্রেই অনস্বীকার্য অবদান রেখে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর একের পর এক বিধিনিষেধ আরোপ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন দেশের মোট ২৮টি প্রতিষ্ঠানের ওপর বাণিজ্য বিধিনিষেধ দিয়েছে মার্কিন
নিজস্ব প্রতিবেদক সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বাংলাদেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার পর বঙ্গভবনের দরবার হলে এক
রোববার ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বাংলাদেশি গণমাধ্যমকর্মীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। তবে তার এ বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা ডিপার্টমেন্ট