রাজনীতি ডেস্ক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গ পরিদর্শন করবেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তিনি দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থানে জনসভা এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।
জামায়াতের প্রচার বিভাগের বরাত দিয়ে শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সফরের বিস্তারিত সূচি জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২২ জানুয়ারি ডা. শফিকুর রহমান তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫-এ গণসংযোগ এবং নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন।
সফরের প্রথম দিন, ২৩ জানুয়ারি, তিনি দিনাজপুর জেলার স্থানীয় গোর-ই-শহীদ ময়দানে দুপুর ২টায় জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। একই দিনে বিকেল ৪টায় ঠাকুরগাঁওয়ে এবং সন্ধ্যায় রংপুর শহরে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি বক্তব্য রাখবেন।
পরের দিন, ২৪ জানুয়ারি, শনিবার সকালে ডা. শফিকুর রহমান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ও জুলাই যোদ্ধা আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। সকাল ১০টায় তিনি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।
জামায়াতের এই সফরকে দলীয় প্রচারণার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রধান অতিথি হিসেবে ডা. শফিকুর রহমানের উপস্থিতি এলাকার ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গ সফরের সময় বিভিন্ন জেলা কার্যালয় এবং স্থানীয় সমর্থকরা জনসভার প্রস্তুতি ও স্থানীয় কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। নির্বাচনী প্রচারণা এলাকায় দলীয় উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক সমর্থন জোরদার করতে দল এই সফরকে কেন্দ্র করে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
অবশ্য, এই সফরের মধ্যে স্থানীয় জনসাধারণ এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ছাড়াও রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য এবং নির্বাচনী পরিকল্পনা নিয়ে গণমাধ্যমে তথ্য সরবরাহ করা হবে। দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি ডা. শফিকুর রহমানের এই সফর দলের জনসংযোগ ও ভোটার ভিত্তি শক্ত করার একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সফরের দিনগুলোতে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলা পর্যায়ে স্থানীয় ও জেলা নেতারা জনসভার প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করবেন। এতে নির্বাচনী প্রচারণার কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।
এই সফর জাতীয় নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে জামায়াতের সক্রিয়তা এবং দলীয় কৌশল প্রবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।