স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় পল্লবীস্থ সবুজ বাংলা আবাসিক এলাকার সিটিএফ এর কার্যালয়ে জরুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন – মোবাইল সিম ব্যবহার করে সেবা গ্রহণের বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে । এর ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা,বার্তা পাঠানো এবং ডেটা ব্যবহারের খরচ বেড়ে যাবে।
কলরেট বাড়ানোর প্রস্তাবে প্রকারান্তে খুশিই মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি খুশি হয়ে বেসরকারী অপারেটরগুলো এবারের বাজেটকে অভিনন্দন জানিয়েছে। কলরেট বেড়ে যাওয়াতে কোন অপারেটরের আয় কত বাড়বে, তারও হিসাব নিকাশ শুরু হয়ে গেছে। সেই হিসাবে দেখা যায় এবারের বাজেটের প্রস্তাবনা বাস্তবায়িত হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান মোবাইল অপারেটরগুলোর মধ্যে গ্রামীনফোন, রবি, বাংলালিংক আর রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটকের গ্রাহক সংখ্যা সবচেয়ে কম,তাই তাদের লাভ ও কম। আমাদের রাষ্ট্রের এই সংস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রতিটি নাগরিককে বাধ্যতামূলক টেলিটক সিম ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়ারও দাবী জানান নেত্ববৃন্দ এবং ১৮ লাখ সরকারী চাকুরীজীবীদেরকে সবসময় টেলিটক সিম ব্যবহার করতে হবে, তারও নির্দেশনা চায় এসোসিয়েশন।
তাহলে আমরা ধরে নিব বিদেশি মোবাইল কোম্পানিগুলোর আয় বৃদ্ধি করার জন্য এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। করোনার মহামারীর কারণে যেহেতু মানুষের আয়কম সেহেতু কলরেট না কমিয়ে উল্টো বাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে । যা অত্যন্ত হাস্যকর । বুলু বলেন করোনার মহামারীর কারণে মোবাইলে মিনিট প্রতি কলচার্জ ভ্যাট, ট্যাক্সসহ ২৫ পয়সা করা উচিত। তিনি আরও বলেন, হঠাৎ করে কলরেট বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে করোনার মহামারীর কথা চিন্তা করা উচিত ছিল ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ জালাল আহমেদ, ইব্রাহিম খান, মোস্তাফিজুর রহমান সুমন প্রমুখ।