1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

চীন-হংকং প্রশাসনের মধ্যে এক ধরনের ডিজিটাল ‘স্নায়ু যুদ্ধ’ শুরু হচ্ছে।

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১
  • ২০৪ বার দেখা হয়েছে

চীনের অধীনে স্বায়ত্ত্বশাসনে থাকা হংকং চলতি মাসের শুরুর দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিরুদ্ধে কড়া আইন কার্যকর করে। এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ইন্টারনেট ও ডিজিটাল মাধ্যমগুলো তাদের ব্যবহারকারীদের তথ্য প্রকাশ করতে পারবে না। এর মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যম এবং চীন-হংকং প্রশাসনের মধ্যে এক ধরনের ‘স্নায়ু যুদ্ধ’ শুরু হচ্ছে।

কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আইন ভঙ্গ করে কোনো প্ল্যাটফর্ম কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের শারীরিক বা অন্য কোনো ধরনের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে যদি তথ্য প্রকাশ করে তাহলে উক্ত প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ এক বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ এক লক্ষ ২৮ হাজার ৭৩১ মার্কিন ডলার পর্যন্ত আর্থিক জরিমানার সাজা ঘোষণা করা যাবে।

তবে আইনের কঠোরতা কমিয়ে আনতে হংকং সরকারের কাছে জোটবদ্ধভাবে আবেদন জানিয়েছে গুগল, ফেসবুক, টুইটার, অ্যাপল এবং লিঙ্কড ইন। সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন হংকং সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যারি ল্যাম।
এ প্রসঙ্গে ক্যারি ল্যাম বলেন, এই আইনের উদ্দেশ্য হচ্ছে যারা অবৈধভাবে তথ্য প্রকাশ করে বা ব্যবহারকারীদের তথ্যের অনৈতিক ব্যবহার করে সেগুলোকে বন্ধ করা। একইসঙ্গে গোপনীয়তা বিষয়ক কমিশনারেরা যেন তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারে তথা তদন্ত করতে পারে সেই পথ নিশ্চিত করা। এই আইন দ্রুত প্রয়োগ করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে চীনের মূল ভূখণ্ডে গুগল, ফেসবুক ও অ্যাপলের মতো প্রতিষ্ঠান ও সেগুলোর অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের সেবা বন্ধ রয়েছে। তবে হংকং এ এখনও এসব কোম্পানি চালু রয়েছে এবং তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কিন্তু ২০১৯ সালে হংকং-এর সরকার বিরোধী আন্দোলন জোরদার করার পেছনে এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে দায়ী করে আসছে চীন। মূলত এরপর থেকেই হংকং-এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর নিয়ন্ত্রণে নড়েচড়ে বসে বেইজিং যার সর্বশেষ ফলাফল নতুন এই আইন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com