1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

কত সম্পদ পাসপোর্ট পরিচালক তৌফিকের! দুদকের অনুসন্ধান ঢাকায় ফ্ল্যাট ৮টি, প্লট ৭টি বিপুল নগদ অর্থ পদোন্নতিতে অর্থ ঢালেন ঘাটে ঘাটে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২১৪ বার দেখা হয়েছে
সাঈদ আহমেদ

ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট অধিদফতরের একজন সহকারী পরিচালকের কতই বা আর বেতন? সর্বসাকুল্যে ৪৫ হাজার টাকা। উপ-পরিচালকের বেতনও খুব বেশি নয়, ৫৫ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা। পরিচালকের বেতন ৭৫ হাজার টাকা থেকে ৮৫ হাজার টাকা। পাসপোর্টের একজন কর্মকর্তা যদি সহকারী পরিচালক থেকে ১৫ বছরে পরিচালক পদে পদোন্নতি পান তাতেও তার অন্তত কোটিপতি হওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু পাসপোর্ট পরিচালক (ঢাকা বিভাগ) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম খান এমনই এক আলাদীনের প্রদীপ হাতে পেয়েছেন। চাকরিজীবনের দেড় দশকে তিনি হয়ে গেছেন অন্তত শত কোটি টাকার মালিক। তার সম্পদের ফিরিস্তি দেখে ভিড়মি খাচ্ছেন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন, এমনকি তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক)। সবার একটাই প্রশ্ন-কি করে তিনি এতো সম্পদের মালিক হলেন? এখনও তার প্রকৃত সম্পদের পরিমাণের ‘তল’ খোঁজা হচ্ছে। তবে এ পর্যন্ত হাতে যা এসেছে তাতেই সংশ্লিষ্টদের আক্কেল গুড়ুম

প্রাপ্ত তথ্য মতে, ২০০৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে পাসপোর্ট অধিদফতরে যোগদান করেন তৌফিকুল ইসলাম খান। প্রথম পোস্টিং যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। সেখানে ২ মাস যেতেই পোস্টিং হয় ঢাকার সাভার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। চাকরি জীবনে তিনি নোয়াখালী, গোপালগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকার যাত্রাবাড়ি, ঢাকাস্থ হেড অফিস, খুলনা এবং বর্তমানে ঢাকা সদর দফতরে অবস্থিত ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে পরিচালক হিসেবে রয়েছেন। এর মধ্যে তিনি সহকারী পরিচালক ছিলেন ৭ বছর, উপ-পরিচালক ছিলেন ৮ বছর এবং উভয়পদে মোট ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে পরিচালক পদে পদোন্নতি পান। এ সময় তিনি সর্বসাকুল্যে যথাক্রমে- ৫৫ হাজার টাকা, ৬৫ হাজার টাকা এবং এখন ৭৫ হাজার টাকা করে বেতন তুলছেন। সরকারি হিসেবের এই অর্থ গ্রহণ করেও তিনি কি করে এতো অর্থ-বিত্তের মালিক হলেন? বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com