1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

যেভাবে মোল্লা হাট থেকে দুবাইয়ে আরাভ ফাহিমা আক্তার সুমি, বাগেরহাট থেকে ফিরে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৮০ বার দেখা হয়েছে

পঁয়ত্রিশ বছর আগে নানা রিজু শেখের বাড়িতে তার জন্ম। বাগেরহাটের মোল্লাহাটেই কেটেছে শৈশব। শৈশবেই নানা বাড়ি ছেড়ে ওঠেন চিতলমারীর ভাড়া  বাসায়। বাবা ফেরি করে হাঁড়ি-পাতিল বিক্রি করতেন। অভাব অনটনের সংসার চালানো মা, খালা আর মামারা নানা জাল জালিয়াতি করে চলতেন। তা দেখেই অপরাধের হাতেখড়ি রবিউল ইসলাম ওরফে সোহাগ মোল্লার। মোল্লার হাটে জন্ম নেয়া এই রবিউল বা সোহাগই এখন দুবাইয়ের নিউ গোল্ড সুকের স্বর্ণের দোকানি আরাভ খান। বাগেরহাট থেকে দুবাইয়ের অভিজাত গোল্ড মার্কেটে ব্যবসায়ী হয়ে ওঠা আরাভের পুরো পথটা ছিল নানা অপরাধ আর অনিয়মের ভরা। বলতে গেলে অপরাধের সিঁড়ি বেয়েই এ পর্যন্ত উঠেছেন। সরজমিন বাগেরহাটের মোল্লাহাট ও চিতলমারি ও গোপালগঞ্জ ঘুরে জানা গেছে তার বেড়ে ওঠার নানা চমকপ্রদ তথ্য।

আরাভের বাবার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার আশুতিয়া গ্রামে।

বাবা মতিউর রহমান মোল্লা জীবিকার তাগিদে হাঁড়ি-পাতিল কাঁধে করে ফেরি করতেন। টানাপড়েনের সংসার ছিল তাদের। তিন ভাই-বোনের মধ্যে আরাভ বড়। অভাবের সংসারে বেড়ে উঠলেও তার বেশভূষা ও চলাফেরা ছিল উচ্চাবিলাসী।
কৌশলে সখ্যতা গড়তেন প্রভাবশালীদের সঙ্গে। তার মামা-খালা ও মা মিলে করতেন জাল টাকার ব্যবসা। বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে মানুষকে ফেলতেন ফাঁদে। বাড়িতে বসাতেন গানের আসর। সেইসঙ্গে ফাঁদ পাততেন কবিরাজির। মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিতেন। পরবর্তীতে তাদের জাল টাকা দিয়ে দেনা পরিশোধ করতেন। জাল টাকা বুঝতে পেয়ে কেউ কেউ টাকা ফেরত চাইলে তাদের দেয়া হতো হুমকি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com