1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

ফের মাথা চাড়া এমএলএম প্রতারণা ♦ টার্গেট মফস্বলের সাধারণ মানুষ ♦ খুলনা, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, খাগড়াছড়ির আট কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ ♦ জড়িয়ে পড়ছে এনজিও বীমা কোম্পানিও ♦ লাইসেন্স ছাড়াই চলছে সঞ্চয় ও ঋণদান কার্যক্রম ♦ গোয়েন্দা প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৪০ বার দেখা হয়েছে

গ্রাহকের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানির নামে নতুন করে নিবন্ধন দেওয়া না হলেও গোপনে গোপনে বেশ কয়েকটি কোম্পানি প্রতারণামূলক এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে এরা বদল করেছে টার্গেট। রাজধানীতে কার্যক্রম না চালিয়ে একটি নির্দিষ্ট বিভাগ বা জেলার সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে নীরবে নিভৃতে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। জাতীয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালিত না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে সক্ষম হচ্ছে অভিযুক্ত কোম্পানিগুলো।

সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দেশের বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের বেশ কয়েকটি কোম্পানির অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এসব কোম্পানির অনিয়ম তুলে ধরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমএলএম আইন ২০১৩ এবং সমবায় সমিতি আইন ২০০১-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কয়েকটি কোম্পানি। এসব কোম্পানি বন্ধ করতে না পারলে সাধারণ মানুষ পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হতে পারে, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

অভিযুক্ত কোম্পানিগুলো মূলত মফস্বলের সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে নীরবে প্রতারণার জাল বিছিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের না আছে কোনো লাইসেন্স না কোনো নিবন্ধন। সারা দেশে এ ধরনের ১০টি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দারা, যার মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানই জালিয়াতিতে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে নানা অনিয়ম দেখা গেছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com