1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

যেভাবে কম্পিউটারের মনিটর ও কি-বোর্ড এলো

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১৫ বার দেখা হয়েছে

এক সময় কম্পিউটার ছিল শুধুই একটা ধাতব বাক্সের মতো। না ছিল মনিটর, না ছিল কি-বোর্ড কিংবা মাউস। তখনকার কম্পিউটার ছিল অনেকটা ঢাল-তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দার। সেই কম্পিউটারে কী বোর্ড আর মনিটার যোগ করেন অ্যাপলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওয়াজনিয়াক, যিনি স্টিভ জবসের ঘনিষ্ট বন্ধু।

 

২৯ জুন ১৯৭৫। ওজনিয়াকের বাড়িতে ডাক পড়ে স্টিভের। সেখানে গিয়ে তো স্টিভের চোখ ছানাবড়া! কী তৈরি করেছেন তাঁর বন্ধু! ঘর ভর্তি ছড়ানো ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, শোল্ডারিং আয়রন, একটা খোলা টেলিভিশন মনিটর আর একটা টাইপ রাইটার।
ওজনিয়াক স্টিভকে বলেন কাগজহীন টাইপরাইটারে একটা কিছু টাইপ করতে।

স্টিভ টাইপ করলেন আর অবাক হয়ে দেখলেন তিনি যা টাইপ করছেন সেগুলো টেলিভিশন মনিটারে লেখা হয়ে ভাসছে। কম্পিটার প্রযুক্তিতে সে এক মাহেন্দ্রক্ষণ! এখন এই যুগে এসে আমরা কেউ কীবোর্ড আর মনিটর ছাড়া কম্পিউটার কল্পনা করতে পারি না। এই কীবোর্ড-মনিটরের জন্ম হয়েছিল সেদিন ওজনিয়াকের ঘরে। ওজনিয়াক বলেছেন, সেটা ছিল পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য ইউরেকা মোমেন্ট।

ওজনিয়াক কম্পিউটারের সঙ্গে সেদিন সত্যিকারের টিভির মনিটার জুড়ে দিয়েছিলেন। আর কি-বোর্ড হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন বাজারে প্রচলিত টাইপরাইটার। ওজনিয়াকের এই বুদ্ধিই কম্পিউটার প্রযুক্তি সম্পূর্ণ বদলে দেয়।
নতুন এই কম্পিউটার তৈরির পর স্টিভ জবস তাঁর বাবার গ্যারেজে কিছুটা জায়গা চেয়ে নেন। সেখানে বসানো হয় কম্পিউটার তৈরির সরঞ্জাম।

শুরু হয় কম্পিউটর তৈরি, যেটা সদ্য বানিয়েছেন ওজনিয়াক। ওজনিয়াকের সেই কম্পিউটারের যন্ত্রপাতিগুলো ছিলো ছড়ানো-ছিটানে। দুই বন্ধু সেগুলোকে একটা একটা বাক্সে আবদ্ধ করার চেষ্টা করেন। কারণ স্টিভের ব্যাবসায়ী-বুদ্ধি চাগিয়ে উঠেছে তখন। বন্ধুর তৈরি কম্পিউটারটিকেও তিনি বিক্রি করতে চান। তাঁরা সেই কম্পিউটারের নাম দেন অ্যাপল।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com