1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর মামলা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯
  • ১৭৮ বার দেখা হয়েছে

গর্ভপাতের চেষ্টা, নির্যাতন, হত্যার হুমকির অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদারসহ দুইজনের বিরুদ্ধে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে একটি মামলা করেছেন তার পুত্রবধূ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা। মামলার অপর আসামি হলেন আপন রিয়েল এস্টেটের পরামর্শক মো. মোখলেছুর রহমান।

সোমবার রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি ও আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদারের ছেলে সাফাত আহমদের স্ত্রী পিয়াসা এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জাল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। আদালত নথি পর্যালোচনা করে পরে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন।

বাদী তার অভিযোগে বলেন, ২০১৫ সালে দিলদার আহম্মেদ সেলিমের ছেলে সাফাতের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই থাকেন। বর্তমানে সে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর দিলদার তার উপর নির্যাতন করে আসছেন। স্বামীর অনেক অনৈতিক কাজে তিনি বাধা দিলেও শ্বশুর উল্টো উৎসাহিত করতেন এবং সহযোগিতা করতেন।

২০১৭ সালের ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের বহুল আলোচিত ঘটনার মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহম্মেদ সেলিমের ছেলে সাফাত আহমেদ প্রধান আসামি।

এরপর থেকে গর্ভপাতের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন আসামিরা। বাদী তার অভিযোগে আরো বলেন, গত ৫ মার্চ বাসায় ফেরার পর একই উদ্দেশ্যে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে, চরথাপ্পড় মেরে ও গর্ভপাত করানোর উদ্দেশ্যে আসামিরা তার তলপেটে লাথি মারার চেষ্টা করেন এবং স্বর্ণালঙ্কর, নগদ অর্থ রেখে এক কাপড়ে বাসা থেকে বের করে দেন।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহম্মেদ গাজী, অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার ও অ্যাডভোকেট সানোয়ার হক টিপু।

সাফাত আহমেদ কয়েক মাস কারাগারে থাকার পর গত বছরের ৩১ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান। তবে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মো. খাদেম উল কায়েস সাফাতের জামিন বাতিল করে ফের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com