1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গাজা সংকটসহ বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগে ভারত ও পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে ২০ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা, দুজনের বাতিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে খেলবে কি না চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২১ জানুয়ারিতে জামায়াত সমর্থকের কম্বল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিধবাকে ধর্ষণ চানখারপুল হত্যাকাণ্ড মামলায় রায় ঘোষণা মঙ্গলবার নারী শিক্ষায় বাংলাদেশী নীতি নাইজেরিয়ায় অনুসরণ নির্বাচন কমিশন আপিল শুনানি সম্পন্ন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সি অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের চারদিনের কর্মসূচি চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণে আজ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা

আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১১৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য মর্যাদা, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার’। দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও রাজনৈতিক দল মানববন্ধন, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করবে।

১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। ১৯৫০ সালের ১০ ডিসেম্বর দিনটিকে জাতিসংঘ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের সব নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকার ও চাহিদা নিশ্চিতের পাশাপাশি, সবার নিরাপত্তা বিধান, স্বাধীনতা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখাই মানবাধিকার। মানবাধিকার একটি বিশদ ও সামগ্রিক বিষয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, একবিংশ শতাব্দীতে ও বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় প্রতিনিয়ত আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর এ দেশে মানবাধিকার বলে আর কিছু ছিল না।

তিনি বলেন, ‘সেই কালরাতে আমাদের পরিবারের ১৮ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। খুনিদের যাতে কেউ বিচার করতে না পারে সেজন্য দায়মুক্তি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করে আমাদের স্বজনদের হত্যার বিচার চাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পূর্বে আমরা এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে মামলা করতে পারিনি। সরকার গঠনের পর সেই কালো আইন বাতিল করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আমরাই প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এরপর থেকে আমরা সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচারের ব্যবস্থা করেছি। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছি।’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে আমরা বিশ্ব দরবারে মানবাধিকার রক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com