1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

গত সরকারের বেপরোয়া বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ সাড়ে ১২ লাখ কোটি টাকার দায় ভোক্তার কাঁধে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩৭ বার দেখা হয়েছে

আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া বৈদেশিক ঋণের স্থিতি গত জুন পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৭৯ কোটি ডলার বা ১২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা। বিগত সরকার এসব ঋণ জনগণ বা ভোক্তার কাঁধে চাপিয়ে গেছে। যা পরিশোধ করতে হবে বর্তমান ও পরবর্তী সরকারগুলোকে। চড়া সুদে নেওয়া বৈদেশিক ঋণের একটি অংশ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। উন্নয়নের নামে নেওয়া এসব বৈদেশিক ঋণ এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে দেশের রিজার্ভের ওপর বড় ধরনের চাপ পড়ছে। রিজার্ভ কমায় ডলারের দাম বেড়ে গেছে। এতে আমদানি পণ্যসহ সব পণ্যের দাম বেড়েছে লাগামহীন গতিতে। ফলে বেড়েছে মূল্যস্ফীতির হার। এতে ভোক্তার আয়ের একটি অংশ চলে যাচ্ছে মূল্যস্ফীতির পেটে। সরকারের নেওয়া বৈদেশিক ঋণের চাপ পড়েছে ভোক্তার কাঁধে।

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসে ২০০৯ সালের শুরুর দিকে। টানা সাড়ে ১৫ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থেকে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সময়ে সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বেপরোয়া গতিতে সরকারি-বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে। আগে বৈদেশিক ঋণ নেওয়া কঠিন ছিল। বিগত সরকার এই ঋণের নীতিমালা শিথিল করে। বৈদেশিক ঋণ অনুমোদনের ক্ষমতা ২০১১ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কেড়ে নিয়ে দেওয়া হয় তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ড বা বর্তমানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে।বিস্তারিত 

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com