1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

যেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে অর্থনীতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১৩৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের অর্থনীতি গতিশীল করার জন্য বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনা প্রয়োজন। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামষ্টিক অর্থনীতির অস্থিতিশীলতা মোকাবিলা করার জন্য বেসরকারি খাতকে সহায়তা করার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলেন, তিনভাবে বেসরকারি খাতকে সহায়তা করা যেতে পারে। সেগুলো হলো- আর্থিক সহায়তা, আর্থিক প্রণোদনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, আর্থিক সহায়তার আওতায় বেসরকারি খাতকে স্বল্প সুদে ঋণ অথবা গ্যারান্টি প্রদান করা হলে বাজারে নগদ টাকার সরবরাহ বাড়বে এবং বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি হবে। ঋণ পরিশোধেও সুবিধাজনক সময় দেওয়ার পাশাপাশি ডাউন পেমেন্ট ছাড়া অথবা সর্বনিম্ন ডাউন পেমেন্টে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনের ব্যবস্থা করা হলে বেসরকারি কোম্পানিগুলো ঘুরে দাঁড়াবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুত হবে। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মানের উদারনীতির প্রবর্তন করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকিং চর্চায় কম জামানতের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা, আমদানিতে কম বিধিনিষেধ আরোপ, ঋণের মধ্যম বাজার ইত্যাদি চালু করা গেলে বেসরকারি খাত এবং ব্যাংক খাত উভয় ক্ষেত্রেই উপকৃত হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করতে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। এজন্য অপরিহার্য পণ্য, কাঁচামাল এবং জ্বালানি আমদানিতে ভর্তুকি প্রদান করতে হবে। অনেক প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনুদান দেওয়া হলে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে এবং এ প্রক্রিয়ায় আমদানিনির্ভরতা, মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি হ্রাস করতে পারে। আর্থিক প্রণোদনার আওতায় সহায়তার বিষয়ে বিশ্লেষকরা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের জন্য সাময়িকভাবে করছাড় ও অব্যাহতি প্রদান করা হলে ব্যবসার ওপর আর্থিক বোঝা কমবে এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে। উৎপাদন এবং প্রযুক্তি খাতের মতো নির্দিষ্ট খাতকে সর্বনিম্ন করপোরেট ট্যাক্স সুবিধা দেওয়া হলে প্রবৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়তে পারে। প্রধান শিল্প খাতের জন্য সাময়িক করছাড় বা কর অব্যাহতি সুবিধা ব্যবসার ওপর আর্থিক বোঝা কমাতে এবং বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে। উৎপাদন এবং প্রযুক্তির মতো নির্দিষ্ট খাতের জন্য করপোরেট করহার কমানো প্রবৃদ্ধিকে উজ্জীবিত এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com