1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

দুর্নীতির পদ্ম- ৩ জনশক্তি রপ্তানিতে কামালের পারিবারিক প্রতারণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫
  • ৮৭ বার দেখা হয়েছে

দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করে দেশে-বিদেশে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল। মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে ১ হাজার ১২৮ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকা লোপাট ও পাচারের হোতা লোটাস কামাল। এ ছাড়া তিনি পরিবারের সদস্যদের যোগসাজশে ১ হাজার ১৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংও (অর্থ হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তর) করেছেন।

জনশক্তি রপ্তানি বা আদম ব্যবসা হলো লোটাস কামালের প্রথম ব্যবসা। এ ব্যবসার মাধ্যমে মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেওয়া হয় লাখ লাখ টাকা। বহু মানুষ কামালের প্রতারণার ফাঁদে নিঃস্ব হয়েছেন। পরবর্তীতে নানান ব্যবসায় জড়ালেও আদম ব্যবসা ছাড়েননি লোটাস কামাল। বরং এ ব্যবসায় যুক্ত করেন স্ত্রী এবং দুই কন্যাকে। লোটাস কামালের রাজনৈতিক উত্থানের পর তাঁর স্ত্রী এ ব্যবসার হাল ধরেন। এতে অব্যাহত থাকে পারিবারিক প্রতারণার ব্যবসা।

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে মোট ১ হাজার ১২৮ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সাবেক অর্থমন্ত্রী লোটাস কামালসহ ১২ এজেন্সির মালিকের বিরুদ্ধে পৃথক ১২টি মামলা করেছে দুদক। গত ১১ মার্চ দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাগুলো করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অসদুদ্দেশ্যে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বায়রার বিভিন্ন পদে থাকার সময় সিন্ডিকেট করে সরকারের নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৫ গুণ অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করেছেন। আসামিরা শ্রমিকদের অবৈধভাবে ক্ষতি সাধন করেছেন। শ্রমিকদের কাছ থেকে পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রতি কর্মীর নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণপূর্বক আত্মসাৎ করেছেন। এসব সিন্ডিকেটের হোতা ছিলেন লোটাস কামাল। অর্থমন্ত্রী থাকাকালে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় এ সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com