1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

সরকারের ঘাড়ে ঋণের বোঝা ♦ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার নেওয়া মোট ঋণ ৮ লাখ কোটি টাকা ♦ মোট ঋণের ৪২ শতাংশ দিয়েছে সরকার ♦ সার্বভৌম গ্যারান্টি দিয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকার ♦ ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঝুঁকি বাড়বে আর্থিক খাতে আশঙ্কা অর্থ বিভাগের

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১০২ বার দেখা হয়েছে

কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা দেশের মোট জিডিপির ১২ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে ৪২ শতাংশ, বা প্রায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ গেছে সরকারি তহবিল থেকে; বাকি ৫৮ শতাংশ ঋণ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। শুধু সরকারি তহবিল থেকে ঋণ দেওয়া হয়েছে তাই নয়, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো যে ঋণ নিয়েছে, তার বিপরীতেও লাখ কোটি টাকার বেশি সার্বভৌম গ্যারান্টি দিতে হয়েছে সরকারকে। অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে সরকারকে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকার সার্বভৌম গ্যারান্টি দিতে হয়েছে। আগের অর্থবছরে সরকারের সার্বভৌম গ্যারান্টির পরিমাণ ছিল ৯৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগ বলছে, এসব গ্যারান্টি মূলত বেসামরিক বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ খাত, সার কারখানা এবং সরকারি পণ্য খাতের প্রতিষ্ঠানের জন্য দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত ঋণের কারণে শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বাড়ছে তাই নয়, সরকারের আর্থিক খাতেও ঝুঁকি বাড়ছে বলে খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দায়ের একটি বড় অংশ হচ্ছে সরকার থেকে বিনিয়োগকৃত ঋণ বা মূলধন। যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরা পরিচালনায় ব্যর্থ হয় বা মূলধন হারায়, তাহলে সরকার আর্থিক ঝুঁকিতে পড়বে। সরকারের সার্বভৌম গ্যারান্টি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে নীতি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরকার যদি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের জন্য গ্যারান্টি দেয় এবং তারা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকারকে তা পরিশোধ করতে হবে। এটি আর্থিক খাতে ঝুঁকি তৈরি করবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলো মুনাফা করতে না পারলেও সরকারের রাজস্ব আয়ে চাপ বাড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com