1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

হিমাচলে বৃষ্টি, ধস আর বানে ৭২ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক অনলাইন  ডেস্ক

 

ভারতের হিমাচল প্রদেশের ১০ জেলায় আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করল রাজ্যটির আবহাওয়া দফতর। রবিবার রাজ্যের তিন জেলা কাংড়া, সিরমৌর এবং মন্ডিতে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

অন্য দিকে, উনা, বিলাসপুর, হামিরপুর, চম্বা, সোলান, শিমলা এবং কুল্লুতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ১১৫.৬ মিলিমিটার থেকে ২০৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে সেটিকে অতিভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়। ২০৪.৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে সেটিকে অতি অতি ভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়।

হিমাচল রাজ্য প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, মেঘভাঙা বৃষ্টি, ধস এবং হড়পা বানে গত ২০ জুন থেকে এখনও পর্যন্ত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ ৪০ জন। আহতের সংখ্যা শতাধিক।

হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিংহ সুখু জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে ১৪টি মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। তার জেরে হড়পা বান এবং ধসে বহু বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ইমারতের। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে এখনও পর্যন্ত ৭০০ কোটির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যে মোট ২৬০টি রাস্তা বন্ধ। তার মধ্যে কোনওটি হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে। কোনওটিতে ধস নেমে পুরোপুরি বন্ধ। কোনও রাস্তা আবার প্লাবিত। শুক্রবার সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে যোগীন্দরনগরে (৫২ মিমি), তার পর নাহান এবং পালমপুরে (২৮.৮ মিমি) পাওতাঁ সাহিব (২১ মিমি), উনা (১৮ মিমি), কাংড়া (১৫ মিমি)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৮ জুলাই পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। তবে বৃষ্টি চলবে ১১ জুলাই পর্যন্ত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com