1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

সৌম্য সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে ম্যাচ টাই করার অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল, তবে সেই ম্যাচের পর তারা একটি অতিরিক্ত হতাশাজনক হারও পায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে টাইগাররা সুপার ওভারে মাত্র ১ রানে পরাজিত হয়। বিশেষত, ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে সৌম্য সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে এখন প্রবল আলোচনা চলছে।

ম্যাচের মূল সময়ে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভার শেষ করার পর ২৮৩ রানে অলআউট হয়। সৌম্য সরকার দলের জন্য সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন, যদিও তার ইনিংসটি ম্যাচ জেতানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। এরপর, সুপার ওভারে ১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নামে। সৌম্য সরকারকে দিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় টিম ম্যানেজমেন্ট, কিন্তু সৌম্য মাত্র ৫ বল খেলেই ৬ রান করতে ব্যর্থ হন।

সুপার ওভারে সৌম্য সরকারের ব্যাটিং সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ম্যাচ শেষে সৌম্য নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে বলেন, “এটা বলতে পারেন আমি ব্যর্থ। বাঁ-হাতি স্পিনার ছিল। আমার আত্মবিশ্বাস ছিল যে, আমি একটি বাউন্ডারি মারতে পারব। কিন্তু উইকেটও এমন ছিল না যে, সহজে ছয় বা বাউন্ডারি মারা যায়। বলও অনেক পুরনো হয়ে গিয়েছিল, তাই তা সেভাবে আসছিল না।”

সৌম্য আরও জানান, “উইকেট যদি একটু দ্রুত হতো এবং টার্ন কম থাকতো, তাহলে হয়তো কাজটা একটু সহজ হতো। তবে পরবর্তী সময়ে যদি এমন উইকেটে খেলা হয়, আমি সেভাবে অনুশীলন করে প্রস্তুতি নেব, যাতে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারি।”

সুপার ওভারে সৌম্য সরকারের সামনে তিনটি ফ্রি হিট ছিল, কিন্তু তিনি কোনোটি থেকেই সুবিধা নিতে পারেননি। তিনি বলেন, “আজকে তিনটি ফ্রি হিট ছিল, কিন্তু আমি কোনোটাই কাজে লাগাতে পারিনি। আগেও অনেকগুলো ফ্রি হিট পেয়েছি, কিন্তু সেগুলোও আমি সেভাবে ব্যবহার করতে পারিনি। আমি জানি এটা আমার দুর্বলতা হতে পারে।”

তবে সৌম্য নিশ্চিত করেছেন যে, তার কোনো মানসিক সমস্যা ছিল না, বরং পরিস্থিতি এবং উইকেটের চরিত্র তাকে হতাশ করেছে। “আমি সাধারণত এসব পরিস্থিতি ভালোভাবে সামলানোর চেষ্টা করি। তবে আজকের দিনটা ছিল একটু কঠিন,” বলেন তিনি।

ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা এবং সমর্থকরা এখন খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করছেন, কেন টিম ম্যানেজমেন্ট সৌম্য সরকারকে সুপার ওভারে প্রথমে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সৌম্য মূল ম্যাচে সর্বোচ্চ রান করেছেন, তার সুপার ওভারের ব্যর্থতা অনেকেই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। বেশ কিছু সমর্থক মনে করছেন যে, তার পরিবর্তে রিশাদ হোসেন বা অন্যান্য এক্সপেরিয়েন্সড ব্যাটারদের জন্য সুযোগ রাখা উচিত ছিল।

বাংলাদেশের ক্রিকেট দল এখন নিজেদের উন্নতির জন্য কাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশ দল যদি নিজেদের ব্যাটিংয়ে আরও পরিশীলিত হতে পারে এবং সুপার ওভার পরিস্থিতির জন্য সঠিক প্রস্তুতি নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে এই ধরনের ম্যাচে আরো ভালো ফল পেতে পারে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য সুপার ওভার একটি নতুন অভিজ্ঞতা হলেও, এই হারটি দলের জন্য একটি মূল্যবান শিক্ষার সুযোগ এনে দিয়েছে। সৌম্য সরকারের ব্যর্থতা ও দলের ব্যাটিং সংকট নিয়ে আলোচনা চলবে, তবে এটি এক ধরনের মানসিক শক্তি তৈরির পথও খুলে দিয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ এবং মনে রাখার মতো। যদিও তারা এক রানে হেরে গেছে, তবে সেরা পারফরম্যান্সের জন্য আরও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা পরিস্কার হয়ে গেছে। সৌম্য সরকারের ব্যর্থতা এবং তার উপলব্ধি থেকে শিক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভবিষ্যতের পথে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, এই আশা রেখে তারা তাদের পরবর্তী ম্যাচে আরও ভালো পারফরম্যান্স প্রদর্শন করতে চায়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com