1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

পাকিস্তান প্রতিরক্ষা রপ্তানি বৃদ্ধি করে আইএমএফ নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য করছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক

পাকিস্তান দেশের প্রতিরক্ষা রপ্তানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে কাজ করছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান এবং সুপার মুশাক প্রশিক্ষণ বিমানের বৃহৎ রপ্তানি চুক্তি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারে।

আসিফের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আজারবাইজান, লিবিয়া, বাংলাদেশ এবং নাইজেরিয়ার মতো দেশ থেকে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা ক্রয়াদেশ পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হামিদ মীরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এই বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ দেশটিকে আইএমএফের শর্তযুক্ত বেইলআউট প্রোগ্রামের বিকল্প হিসেবে টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি প্রদানে সক্ষম করবে।

প্রধান রপ্তানি চুক্তি হলো আজারবাইজানের সঙ্গে ৪.৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি, যার অধীনে দেশটি ৪০টি জেএফ-১৭ ব্লক থ্রি যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করবে। এটি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা রপ্তানির ইতিহাসে একক বৃহত্তম চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে, যার মধ্যে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ১২টি সুপার মুশাক প্রশিক্ষণ বিমান অন্তর্ভুক্ত। নাইজেরিয়াও তাদের বিমানবহর বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, এবং বাংলাদেশের সঙ্গে জেএফ-১৭ সংগ্রহের বিষয়েও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে।

খাজা আসিফ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সৌদি আরবের সঙ্গে থাকা ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণকে যুদ্ধবিমান চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়েও আলোচনা চলছে। পাকিস্তান গত কয়েক বছরে আইএমএফ থেকে দফায় দফায় ঋণ নিয়েছে, যা প্রায়ই কঠোর রাজস্ব সংস্কার ও ভর্তুকি ছাঁটাইয়ের শর্তে আবদ্ধ ছিল। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে আইএমএফের এক্সটেনডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি ও জলবায়ু তহবিলের আওতায় কয়েক বিলিয়ন ডলার সহায়তা পাওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান এখন স্বনির্ভরতা অর্জনের দিকে এগোচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য আয় পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করবে এবং লেনদেনের ভারসাম্যের জন্য দাতা সংস্থাগুলোর ওপর নির্ভরতা কমাবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জন নির্ভর করছে নির্ধারিত সময়ে যুদ্ধবিমান সরবরাহ এবং ক্রেতা দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর।

পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে দেশটি আন্তর্জাতিক বাজারে বড় অস্ত্র প্রস্তুতকারী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারছে। প্রযুক্তি হস্তান্তর, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এবং চাহিদার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মতো চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, ২০২৫–২০২৬ সালের রপ্তানি প্রবাহ পাকিস্তানের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই রপ্তানি উদ্যোগ শুধুমাত্র অর্থনৈতিক লাভে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী অবস্থান প্রদান করবে এবং বৈদেশিক ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে দেশকে টেকসই অর্থনৈতিক পথে অগ্রসর করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com