রাজনীতি ডেস্ক
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য দেন, যেখানে তিনি নারী শিক্ষা ও তরুণ সমাজের প্রতিভার বিকাশ সম্পর্কিত পারস্পরিক পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া নারী শিক্ষার জন্য আন্দোলন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছেন। তারেক রহমান জানান, দল ক্ষমতায় এলে শিক্ষিত নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের তরুণ সমাজের মধ্যে অনেক প্রতিভা রয়েছে। আমরা তাদের কাজ ফেসবুক, টিকটকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেখতে পাই। এই প্রতিভার জন্য নীতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং আমরা ভাবছি কীভাবে তাদের আয় ও ইনকাম নিশ্চিত করা যায়।”
তারেক রহমান আরও মন্তব্য করেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তার পর্যাপ্ত ধারণা রয়েছে। তিনি বলেন, “যারা দেশে রয়েছেন, তারা রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমার চেয়ে ভালোভাবে জানেন। তবে এটি বলা ঠিক হবে না যে, আমি কিছুই জানি না। আমারও একটি ধারণা রয়েছে।”
দলীয় মতপার্থক্য নিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে এই পার্থক্য নিয়ে আমরা খোলাখুলি আলোচনা করতে পারি এবং সমাধান বের করতে পারি।”
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি নারী শিক্ষা ও তরুণ প্রতিভার উন্নয়নে রাজনৈতিক ও নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন, যা পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, শিক্ষিত নারীদের কর্মসংস্থান এবং অনলাইন মাধ্যমে তরুণদের আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করলে দেশের মানবসম্পদ বিকাশে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়নের গুরুত্ব বিবেচনা করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে তা জাতীয় শিক্ষানীতি, কর্মসংস্থান নীতি এবং সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে। তরুণ সমাজের সৃজনশীল প্রতিভার জন্য নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন, বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধি, সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
এই মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশ্লেষকদের দৃষ্টিকোণে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মসূচি ও নারী শিক্ষার অগ্রগতিতে দলীয় মনোভাব ও নীতি প্রণয়নের একটি সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।