1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

ই-কমার্স-সমিতির নামে লুটপাট এরা কি আইনের ঊর্ধ্বে? গ্রামে গ্রামে সমিতির নামে টাকা নেওয়া হচ্ছে ধর্মের নাম করে টাকা নিয়েছে এহসান গ্রুপ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৯৮ বার দেখা হয়েছে

আবুল খায়েরই-কমার্স ও সমবায় সমিতির নামে গ্রাহকের কাছ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে লুটপাট করা হয়েছে। প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন গ্রাহকরা। অর্ধেক দামে পণ্য দেওয়ার নামে সহস্রাধিক ক্রেতার কাছ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো। অথচ গ্রাহকের কাছে পণ্য পাঠানো হয়নি। ধর্মের নামে ১৭ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে এহসান গ্রুপ। আর রাজধানী থেকে শুরু করে গ্রামে গ্রামে বিভিন্ন সমবায় সমিতির নামে দ্বিগুণ মুনাফার কথা বলে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে। অনেক সমবায় সমিতি গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে। বিভিন্ন সময় এসব ই-কমার্স ও সমবায় সমিতির নামে প্রতারণার শিকার গ্রাহকরা মামলা করেছেন। কিন্তু প্রতিকার মেলেনি। এরা কি আইনের ঊর্ধ্বে? স্থানীয় প্রভাবশালীদেরও ম্যানেজ করে ফেলে তারা। মাস্তানও পোষে। টাকা চাইতে গেলে গ্রাহককে মারপিটসহ নানাভাবে হয়রানিও করা হয়। করোনার সময় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে তারা। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান নিয়ে ছয় মাস আগে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক হয়েছিল। সেখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিশেষ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছিল, ই-কমার্সের ব্যাপারে একটা নীতিমালা করুন। নইলে তারা বড় ধরনের অর্থ আত্মসাত্ করে বিদেশে অর্থ পাচার করবে। কিন্তু কোনো আইন কিংবা নীতিমালা করা হয়নি। এতে কোটি কোটি আত্মসাত্ করে পাচার করেছে একটি চক্র। তাদের অনেকটা সুযোগই করে দেওয়া হয়েছে। আইন না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে গেলে ব্যবসায়ীরা তাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করত। আর সমবায় সমিতির নামে হায় হায় কোম্পানি সারা দেশে যে ছড়িয়ে পড়েছে সেটিও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। এছাড়াও বিভিন্ন সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এইসব কোম্পানির প্রতারণাবিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অভিহিত করা হয়। এই সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করারও পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com