1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

খোলাবাজারে ডলারের দাম উঠেছে ১২০ টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৩৪ বার দেখা হয়েছে

বাড়তে থাকা ডলারের দাম ওপরের দিকে উঠছেই। বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ফলে খোলাবাজারে ডলারের দাম আবারও ১২০ টাকা উঠেছে।

 

বৃহস্পতিবার খোলাবাজারে নগদ এক ডলার কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হয়েছে ১১৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২০ টাকা। যেখানে গত সপ্তাহ আগে এক ডলার ছিল। ১১৭ থেকে ১১৮ টাকা। দেশের বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউজ ও ডলার কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, অনেক মানি চেঞ্জারের কাছে ডলার নেই । কারো কাছে থাকলেও তা নিজেরা সরাসরি বিক্রি করছে না। পরিচিত কেউ সুপারিশ করলেই ডলার পাওয়া যায়। এরপরও প্রতি ডলার কিনতে ব্যয় করতে হচ্ছে প্রায় ১২০ টাকা ।

সংকটের কারণে গত পাঁচ বছরে ডলারের বিপরীতে লাগামহীনভাবে কমেছে টাকার মান । এ সময় অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে বেড়েছে ডলারের দাম। ২০১৯ সালে ১ ডলার কিনতে খরচ হতো ৮৪ টাকা। আর এখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে এক ডলারের দাম উঠেছে ১১০ টাকা ৫০ পয়সা। এ হিসাবে পাঁচ বছরে টাকার মান কমেছে ২৪ শতাংশ । আর এক বছরে টাকার মানের রেকর্ড ১৬ শতাংশ পতন হয়েছে।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বাজারে ডলারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ডলার সহায়তা পাচ্ছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো কৃষকদের জন্য সার ও জ্বালানির এলসি খুলতে বেশি ডলার নিচ্ছে। অন্য ব্যাংকগুলোকেও রিজার্ভে একটি লম্বা সময় ধরে ডলার সাপোর্ট দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব কারণে টাকার মান কমতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে বর্তমানে আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, দেশে রিজার্ভ আছে ২ হাজার ১০৫ কোটি ডলার। রিজার্ভের এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় বহন করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করার সময় বেশকিছু শর্ত দিয়েছিল আইএমএফ। এই ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার গত ফেব্রুয়ারিতে পায় বাংলাদেশ। দাতা সংস্থাটির অন্যতম শর্তের ছিল, চলতি বছরের জুনে প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৫৩০ ডলার এবং ডিসেম্বরে ২ হাজার ৬৮০ ডলারে রাখতে হবে। কিন্তু এখন রিজার্ভ আছে মাত্র ২ হাজার ১০৫ কোটি ডলার। ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি দেওয়ার আগে ইতিমধ্যে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে নিজেদের ব্যর্থতাও তুলে ধরেছে আর্থিক খাতের সংস্থাটি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com