1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা এবং ভূমিকম্পপ্রবণ নতুন ভূমিকম্প মানচিত্র প্রকাশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘন ঘন ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর জনমনে উদ্বেগ বাড়ায়। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশ ভারত নতুন ভূমিকম্প মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যাতে পুরো হিমালয় অঞ্চলকে প্রথমবারের মতো উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভারতের ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (BIS) কোডের তথ্য ব্যবহার করে তৈরি নতুন মানচিত্রে আগের মানচিত্রের তুলনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বে হিমালয়কে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়নি, তবে নতুন তালিকায় পুরো হিমালয়কে ৬ নম্বর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই তালিকায় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য, যেগুলোকে “সেভেন সিস্টার্স” বলা হয়, সরাসরি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে স্থান পেয়েছে।

নতুন ভূমিকম্প মানচিত্রের প্রভাব বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা যেমন সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই এলাকাগুলোতে ভারতের হিমালয় অঞ্চলের ভূমিকম্পপ্রবণতার প্রভাব পড়তে পারে এবং স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা ও নির্মাণ খাতে প্রস্তুতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

মানচিত্র অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৬১ শতাংশ এলাকা এখন ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত। ইন্ডিয়ান-প্লেট ও ইউরেশিয়ান-প্লেটের সংঘর্ষ এবং তাদের সরলাভাবে স্থানান্তরের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। হিমালয় অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ ফল্টলাইনের উপস্থিতি বিশেষভাবে এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ ঝুঁকি তৈরি করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন মানচিত্র ভারতের নীতি-নির্ধারক এবং নির্মাণ খাতকে ভূমিকম্প-প্রতিরোধী কাঠামো তৈরি এবং ঝুঁকি হ্রাসে আরও সতর্ক হতে প্ররোচিত করবে। এছাড়া স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর জন্য এটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও জরুরি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।

বাংলাদেশেও নতুন তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী জেলা এবং ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোতে নির্মাণ ও অবকাঠামোগত কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সতর্কতা নেওয়া জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধি, জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রস্তুতি এবং স্থাপত্য নকশায় ভূমিকম্প-প্রতিরোধী মানদণ্ড প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com