অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
জাতীয় বেতন কমিশন (পে কমিশন) নবম পে-স্কেল নিয়ে স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ চূড়ান্ত করেছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কমিশনের সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সভা দুপুর ১২টায় শুরু হবে। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন গ্রেড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মোট ২০টি বেতন গ্রেড রয়েছে। কমিশনের কিছু সদস্য মনে করেন, বিদ্যমান গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি সুপারিশ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, কমিশনের একটি অংশের ধারণা, গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৬টি করা উচিত।
পে কমিশন ইতিমধ্যে নবম পে-স্কেল সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে প্রাপ্ত মতামত বিশ্লেষণ করেছে। কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকল প্রস্তাব বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সম্পূর্ণ প্রতিবেদন লেখার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
কমিশনের লক্ষ্য বাস্তবসম্মত ও সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রস্তুত করা। পূর্ণ কমিশনের সভায় বাকি বিষয়গুলোতে সদস্যরা একমত পোষণ করবেন এবং সভার শেষে সুপারিশ জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময় নির্ধারণ করা হবে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচন ঘোষণার প্রেক্ষাপটে সুপারিশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
বেতন স্কেলের চূড়ান্ত সুপারিশ কার্যকর হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক বেতন ও ভাতার কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে, যা সরকারি সেবাপ্রদানে প্রভাব ফেলতে পারে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন গ্রেড কাঠামো ও বেতন বৃদ্ধির হার নির্ধারণের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও কর্মদক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্য রয়েছে।