রাজনীতি ডেস্ক
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের চার ইউনিয়ন) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন মঙ্গলবার কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জানিয়েছেন, তাকে হুমকি ও শারীরিক আঘাতের ভয় দেখানো হয়েছে। তবে তিনি এসব ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে বা অভিযোগ দায়ের করতে চাইছেন না এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী কাজ করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।
রাশেদ খাঁন তার রাজনৈতিক যাত্রার প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তিনি আটক হন এবং ১৮ দিন রিমান্ডে থাকা অবস্থায় নির্যাতনের শিকার হন। তিনি দাবি করেন, আন্দোলন চলাকালীন তারা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করেননি এবং আন্দোলন পরবর্তীতে সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়। রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনে কাজ শুরু করেছেন এবং ঝিনাইদহ-৪ থেকে তার মনোনয়ন প্রদান করেছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এলাকার বিএনপির সক্রিয় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে এক হয়ে দলের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। রাশেদ খাঁন বলেন, দলগত বা ব্যক্তিগত অমিল ভুলে সকলকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, জুলুম ও নিপীড়নের রাজনীতি চলবে না এবং সকলকে সামাজিকভাবে মিলেমিশে বসবাস করতে হবে।
অঞ্চলের জনগণের সেবার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি সেবা পেতে অতিরিক্ত অর্থ বা বিশেষ সুপারিশের প্রয়োজন হবে না। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং এলাকার উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।
মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও ঝিনাইদহ-৪ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হামিদুল ইসলাম হামিদ, তবিবুর রহমান মিনি, শামসুল ইসলাম, লুতফর রহমান লেন্টু, মাহবুর রহমান মিলনসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।