1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শুনানি নির্ধারিত, শেখ হাসিনাপুত্র জয় ও পলকের অভিযোগ মামলায় শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট ৫৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ বাংলাদেশ হিন্দুকে অধিনায়ক বানাল, আমরা তাদের ক্রিকেটারকে সরালাম পাতানো নির্বাচন দেশের ধ্বংসের পথে :জামায়াত নায়েবে আমিরের আশঙ্কা ইরানের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আলি আর্দেসতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল ইইউ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ বিএনপি ১৫ নেতার বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে নবম পে-স্কেল বিষয়ে পূর্ণ কমিশনের সভা বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ভারতে অংশ নিতে বাধ্য করার কোনও আইসিসি নির্দেশ নেই: বিসিবি

মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি ভারতের রাশিয়া তেল আমদানি নিয়ে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে সতর্ক করেছেন যে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত থাকলে ওয়াশিংটন ভারতের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করতে পারে। ট্রাম্প রোববার এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিষয়টি জানতেন এবং ভারতের উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুশি করা।

ট্রাম্পের বক্তব্যে বলা হয়েছে, “রাশিয়ার তেলের বিষয়ে ভারত যদি সাহায্য না করে, আমরা তাদের ওপর শুল্ক বাড়াতে পারি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারতের রাশিয়া থেকে তেল ক্রয় ইতোমধ্যেই কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ভারতের পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুশি করা এবং এই প্রক্রিয়ায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখা।

নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে রাশিয়ার তেলের বাণিজ্য নিয়ে চলমান বিশ্লেষণের সময় ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি এসেছে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রাশিয়া থেকে তেল কেনা জরুরি বলে মন্তব্য করেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যে এক ফোনালাপ হয়, যেখানে শুল্ক সংক্রান্ত উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন।

ভারত ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বাণিজ্য অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যেই এই আলোচনার সূচনা হয়। চলতি বছরের শুরুতে আলোচনা শুরু হলেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের কারণে প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

সম্প্রতি ভারতে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসও ট্রাম্পের মন্তব্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, তিনি ভারতকে “অসাধারণ দেশ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “ভারত বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর অন্যতম। এটি চমৎকার দেশ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার। প্রধানমন্ত্রী মোদির মাধ্যমে আমরা একজন মহান বন্ধু পেয়েছি।”

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার ঘটনাও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের চাহিদা ও সরবরাহ সংক্রান্ত বিষয়কে সামনে নিয়ে এসেছে। দেশটিতে ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি প্রমাণিত তেলের মজুত রয়েছে, যা বিশ্বের বৃহত্তম। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং বিনিয়োগের অভাবে উৎপাদন কমে দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল মাত্র। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার তেল মজুত বিশ্বের মোট সরবরাহের প্রায় ১৭ শতাংশের সমান।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলার তেলের সঙ্গে সম্পর্ক ও মার্কিন শুল্ক নীতি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ভারতের জন্য এটি জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কৌশলগত অবস্থান বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে ধরা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠাপড়া, শুল্ক নীতি ও রাজনৈতিক সংঘাতগুলো আগামী মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির নীতি নির্ধারকরা সম্ভাব্য শুল্ক বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য কৌশল প্রণয়নে ব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়া, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আলোচনার নতুন ধারা চালু রাখার মাধ্যমে ভারতের আন্তর্জাতিক কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করাও নীতিনির্ধারকদের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com