নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)-এর ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির জন্য সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিটি এডিটর মির্জা মেহেদী তমাল। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলা টিভির এম এম বাদশা।
নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা করা হয় রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ভোটগ্রহণ শেষে। নির্বাচন প্রসঙ্গে জানা গেছে, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অন্যান্য পদে মোট ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৯ জন ভোটারের মধ্যে ২৮৪ জন তাদের ভোট প্রদান করেন এবং পাঁচটি ভোট বাতিল হয়।
অন্য পদগুলিতে নির্বাচিতরা হলেন: যুগ্ম সম্পাদক পদে শহিদুল ইসলাম রাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নিহাল হাসনাইন, অর্থ সম্পাদক পদে আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক পদে ইসমাঈল হোসেন ইমু। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আবু হেনা রাসেল, আইয়ুব আনসারী ও মাহবুব আলম।
এ ছাড়াও সহসভাপতি পদে জিয়া খান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মাহমুদ সোহেল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. আবু জাফর, প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে শাহরিয়ার জামান দীপ, আইন ও কল্যাণ সম্পাদক পদে শেখ কালিমউল্যাহ নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে হাবিবুল্লাহ মিজান প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই নির্বাচিত হন।
ক্র্যাব দেশের অপরাধসংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশনকারী সাংবাদিকদের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি পেশাগত সংগঠন, যা সদস্যদের নিরাপত্তা, প্রশিক্ষণ ও নৈতিকতার মান উন্নয়নে কাজ করে। প্রতি দুই বছর অন্তর কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়।此次 নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটার অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে, যা সংগঠনের স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি সদস্যদের বিশ্বাস প্রতিফলিত করে।
নবনির্বাচিত সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল বলেন, কার্যনির্বাহী কমিটির নতুন নেতৃত্ব সদস্যদের জন্য আরও কার্যকর প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করবে। সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশা আশা প্রকাশ করেছেন, সংগঠন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মান উন্নয়নের পাশাপাশি অপরাধ সংবাদ পরিবেশনে প্রাধান্য নিশ্চিত করবে।
সংগঠনটি নিয়মিতভাবে সাংবাদিকদের জন্য কর্মশালা, আইনগত পরামর্শ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ আয়োজন করে থাকে। নতুন কমিটির দায়িত্বগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ক্র্যাবের কার্যক্রমে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকদের কাজের মান ও প্রভাব বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।