1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাইকোর্ট বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারা বহাল রাখলেন, সালিশি অনুমতি বাধ্যতামূলক ঘোষণা উন্নত প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে বিএফডিসির আধুনিকীকরণে গুরুত্বারোপ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ‘গণভোট-২০২৬’ প্রশিক্ষণ ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্নের নির্দেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানিতে ৫৮ প্রার্থী পুনর্বহাল কলম্বিয়ার মধ্য-পূর্বাঞ্চলে ব্যক্তিগত বিমান দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইয়েসন জিমেনেজসহ ছয়জন নিহত গোল্ডেন গ্লোবসের মনোনয়ন তালিকায় আন্তর্জাতিক ছবির জোরালো উপস্থিতি সম্মতি ছাড়া নাবালিকা বয়সে বিয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বক্তব্য দিলেন মনোহারা ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু, প্রদর্শিত হবে ৯১ দেশের ২৪৬টি চলচ্চিত্র নির্মাতা-অভিনেত্রী আফসানা মিমির জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ ও নামকরণের গল্প

মিজানুর রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির নির্বাচিত: স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমানকে একই ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত করা হয়েছে। এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমান খাড়েরা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ৩১ নম্বর সদস্য। ২০১৯ সালে এই কমিটির সদস্য হিসেবে তার নাম তালিকাভুক্ত হয়েছিল। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মিজানুর রহমান ২০১৯ সালের আগে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও মিছিলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তখন তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন।

স্থানীয় রাজনীতিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, বছরখানেক আগে মিজানুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর খাড়েরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমির নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনের তথ্য এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। খাড়েরা ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সভাপতি নাসিরুদ্দিন জানান, মিজানুর রহমান সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পর তিনি জামায়াতে ইসলামের রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন, যা স্থানীয় জনগণ পর্যবেক্ষণ করছেন।

এ বিষয়ে খাড়েরা ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য সচিব বাবুল মিয়া বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধির বারবার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন দুঃখজনক। রাজনীতি আদর্শের জায়গা হলেও এখানে ব্যক্তিস্বার্থের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।”

মিজানুর রহমান নিজ বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আগে মেম্বার ছিলাম, এখনো আছি। হয়তো আমাকে আওয়ামী লীগের কোনো কমিটিতে নাম দিয়ে রাখা হয়েছে। সাধারণত সরকার থাকলে তার সঙ্গে থাকতে হয়। কে কখন নাম বসিয়েছে, এ বিষয়ে আমি জানি না।”

খাড়েরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির শরীফ উদ্দিন জানান, “বছরখানেক আগে মিজান মেম্বার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমির নির্বাচিত হয়েছেন। তার আওয়ামী লীগের সদস্য থাকা আমার জানা ছিল না।” একই বিষয় কসবা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির পীরজাদা শিবলী নোমানী বলেন, “মিজান মেম্বারের আওয়ামী লীগের সদস্য থাকা বিষয়ে আমরা অবগত ছিলাম না। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। যদি এলাকাবাসীর কোনো অভিযোগ থাকে, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একাধিক রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে বিভ্রান্তি এবং চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করতে পারে। একই ব্যক্তির বিভিন্ন দলের সঙ্গে সম্পর্ক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং স্থানীয় ভোটারদের মনোভাবেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

খাড়েরা ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও জনপ্রতিনিধির রাজনৈতিক সংযুক্তি বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও প্রতিক্রিয়ার অভাব এই ধরনের ঘটনা আরও জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছ ও নিয়মমাফিক রাজনৈতিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা গেলে ভোটারদের আস্থা ও এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশকে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।

এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক চর্চা ও দলের অভ্যন্তরীণ কাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে ইউনিয়ন পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও ধর্মীয় রাজনৈতিক নেতাদের অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com