1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
লুৎফুজ্জামান বাবর: র‍্যাব কখনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়নি বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীর সম্পদ হালফনামা প্রকাশ সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পদ ও আয়ের বিবরণী নিউইয়র্ক সিটিতে কোরআন হাতে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্টে মায়ের বিদায়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমবেদনা বছরের প্রথম দিনেই শতভাগ বই পেল প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা জামায়াত আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের সাক্ষাৎ ‘গোপন বৈঠক’ নয়: দলের ব্যাখ্যা মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের বই বিতরণ উদ্বোধন নিউইয়র্কে ইতিহাসের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে জোহরান মামদানি দায়িত্বগ্রহণ জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প

জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় বিদায়ী বছরের শেষ দিনে রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৯.৩ কিলোমিটার গভীরে নোডা অঞ্চলের কাছাকাছি। এই ভূমিকম্পের ফলে কোনও তাত্ক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, এই কম্পনটি পূর্বের ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের কয়েক সপ্তাহ পর ঘটেছে। ওই ভূমিকম্পে অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং প্রায় ৯০ হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এছাড়া, তখন সমুদ্র উপকূলে সুনামি আঘাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছিল, হোক্কাইদো, আওমোরি ও ইওয়াতে প্রিফেকচারে তিন মিটার পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ দেখা দিতে পারে বলে সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল এবং বিভিন্ন বন্দরে ২০–৭০ সেন্টিমিটার উচ্চতার ঢেউ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

জাপান বিশ্বের ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশটিতে প্রায় প্রতি পাঁচ মিনিট অন্তর কোথাও না কোথাও কম্পন অনুভূত হয়। বিশ্বে ৬ বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই জাপানে ঘটে। ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ঘটেছিল ২০১১ সালের ১১ মার্চ, যখন দেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলে রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই সময়ের ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামিতে উপকূলজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং প্রায় ২০ হাজার মানুষ নিহত হন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, জাপানে ভূমিকম্পের পুনরাবৃত্তি স্বাভাবিক ঘটনা এবং দেশটি যথেষ্ট প্রস্তুতি গ্রহণ করে থাকে। স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো নিয়মিতভাবে ভূমিকম্প এবং সম্ভাব্য সুনামির জন্য সতর্কতা প্রদান ও উদ্ধারমূলক কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি রাখে।

এর আগে, ৮ ডিসেম্বরের ভূমিকম্পের পরও সমুদ্র উপকূলে ঢেউ আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূ-সক্রিয় অঞ্চলে অবস্থান এবং সমুদ্র উপকূলে কম্পনের প্রভাবের কারণে সামান্য কম্পনকেও স্থানীয়রা অনুভব করতে পারেন। নতুন এই ভূমিকম্পের ফলে স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

জাপানের ভূমিকম্পবিজ্ঞানী এবং জরুরি সেবা সংস্থাগুলো স্থানীয় জনগণকে প্রাথমিকভাবে নিরাপদ স্থানে অবস্থান এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি, ভবিষ্যতে আরও বড় বা মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প ঘটতে পারে বলে সতর্কতা অব্যাহত রয়েছে।

ভূমিকম্পজনিত এই পুনরাবৃত্তি জাপানের জন্য নতুন নয়। দেশটি ভূ-সক্রিয় বেল্টের উপর অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্প ও সুনামি ঝুঁকি সবসময় থাকে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন, বিজ্ঞানী এবং জরুরি সেবা সংস্থা নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

নির্দিষ্টভাবে বলা যায়, দেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলের এই নতুন ভূমিকম্প বর্তমানে কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়নি। তবে স্থানীয়রা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন এবং প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পূর্বাভাস ও জরুরি প্রতিকারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com