1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
লুৎফুজ্জামান বাবর: র‍্যাব কখনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়নি বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীর সম্পদ হালফনামা প্রকাশ সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পদ ও আয়ের বিবরণী নিউইয়র্ক সিটিতে কোরআন হাতে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্টে মায়ের বিদায়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমবেদনা বছরের প্রথম দিনেই শতভাগ বই পেল প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা জামায়াত আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের সাক্ষাৎ ‘গোপন বৈঠক’ নয়: দলের ব্যাখ্যা মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের বই বিতরণ উদ্বোধন নিউইয়র্কে ইতিহাসের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে জোহরান মামদানি দায়িত্বগ্রহণ জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প

এক্সক্লুসিভ রেলের মাফিয়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫
  • ৮৩ বার দেখা হয়েছে

শুরুটা ২০১১ সালে। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী দুই নেতার আশীর্বাদ নিয়ে রেলের নির্মাণ খাতে আবির্ভূূত হন এক টেন্ডার ডন। ৫ থেকে ১০ কোটি টাকার ছোট কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও নেতাদের প্রভাব খাটিয়ে বাগিয়ে নেন একের পর এক হাজার কোটি টাকার কাজ। এখন পর্যন্ত  রেল খাতের অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাগিয়ে নিয়েছে অখ্যাত এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রকল্পের বরাদ্দের একটা বড় অংশ লুটপাট হয়েছে সিন্ডিকেট করে। আর এই অর্থের বিপুল পরিমাণ কমিশন চলে গেছে দেশ-বিদেশের সুবিধাভোগীদের হাতে। রেল প্রকল্পের টেন্ডার ডন খ্যাত সেই কোম্পানির নাম ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির জাল- জালিয়াতির মাধ্যমে রেলের নির্মাণ খাত নিয়ন্ত্রণের বিস্তারিত তথ্য মানবজমিনের হাতে এসেছে। নথিপত্র ঘেঁটে মিলেছে তাদের নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির চিত্র। সময়টা ২০০৯ সাল। খুঁড়িয়ে চলছে ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার। ওই সময়ে মাত্র ৫ থেকে ১০ কোটি টাকার ছোট ছোট নির্মাণকাজ করতো প্রতিষ্ঠানটি। তাও টেনেটুনে শেষ করতে হতো। ব্যাংক লোন নিয়ে চলতো প্রকল্পের কাজ। তখন ম্যাক্সের এককভাবে মাত্র ১৬.৭০ কোটি টাকার রেললাইন প্রকল্প নির্মাণের অভিজ্ঞতা ছিল। তাও কাজের মান ছিল নিম্নস্তরের। পরে আওয়ামী লীগের সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও মির্জা আজমের সহায়তায় রাতারাতি বদলে যায় ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই দুই নেতার সহায়তায় দরপত্রে ১৫ নম্বরে থেকেও ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার ২০৯ কোটি টাকার চিনকি আস্তানা থেকে আশুগঞ্জ রিনিউয়াল রেল প্রকল্পের কাজ পেয়ে যায়। ওই প্রকল্প পেতেও জালিয়াতি করে ম্যাক্স। মাত্র ১৬ কোটি টাকার একটি কাজের সঙ্গে আরও দুটি চলমান প্রকল্প ৫০ ও ৯৬ কোটি টাকার যোগ্যতা একসঙ্গে দেখিয়ে চিনকি প্রকল্পের দরপত্রে অংশগ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটি। পরে মন্ত্রীর লিখিত সুপারিশে প্রকল্পটির কাজও পেয়ে যায়।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com