রাজনীতি ডেস্ক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং প্রেস সচিব হিসেবে এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী) নিয়োগ পেয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বি এম আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশের সরকারের সাবেক সচিব। তার নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত সালেহ শিবলী বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয় দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা থেকে এবং পরবর্তীতে তিনি দৈনিক মানব জমিন, বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি), রেডিও টুডে, চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সালেহ শিবলী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, গণমাধ্যম ও প্রশাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও প্রকাশনা করেছেন। বিশেষ করে জাপানের কিতাকিয়ুশু ফোরাম অন এশিয়ান উইমেন (কেএফএডব্লিউ) প্রকাশিত ম্যাগাজিন এশিয়ান ব্রীজে তার কয়েকটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
শিবলী প্রবাসে লন্ডনের বাংলাভাষী টেলিভিশন চ্যানেল এস এ-এ নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক রাজনৈতিক গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান সিডনি পলিসি এন্ড রিসার্চ সেন্টারের নন-রেসিডেন্ট ফেলো হিসেবেও কাজ করছেন। তার পিএইচডি গবেষণা বিষয়বস্তু গণমাধ্যম ও প্রশাসন সম্পর্কিত।
দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নতুন নিয়োগের মাধ্যমে বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে প্রশাসনিক ও গণমাধ্যম সম্পর্কিত কার্যক্রম আরও সুসংহতভাবে পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে দলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম এবং প্রকাশ্য যোগাযোগ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে।
এই নিয়োগ প্রসঙ্গে দলীয় নেতারা উল্লেখ করেছেন, দলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের সুষ্ঠু ও কার্যকর বাস্তবায়নে এই ধরনের অভিজ্ঞ নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও সাংবাদিকতা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সালেহ শিবলী দলের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত উভয় কর্মকর্তা তাদের নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পরই দলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং বিভিন্ন স্তরের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত হন এবং অবিলম্বে কার্যক্রম শুরু করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আশা করছে, এই নতুন নিয়োগ দলের কর্মকৌশল ও তথ্য-প্রচারণার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।